বেপরোয়া যুদ্ধ অসহায় মানুষ

দেশ রূপান্তর রাজেকুজ্জামান রতন প্রকাশিত: ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৪

এক অসম যুদ্ধ চলছে। সামরিক শক্তি, অর্থনৈতিক শক্তিসহ কোনো বিচারেই ইরান আমেরিকার সমকক্ষ নয়। কিন্তু তারপরও যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে দেশটির ওপর। ইরানের ওপর হামলা এবং তারপর আমেরিকা-ইসরায়েল বনাম ইরান যুদ্ধ প্রত্যক্ষ করছে বিশ্ব। যুদ্ধের কারণ কী, তা নিয়ে আলোচনা যেমন চলছে, তেমনি যুদ্ধের আঁচ লেগেছে রান্না ঘরের চুলা পর্যন্ত। জ্বালানিনির্ভর বিশ্বে জ্বালানিসমৃদ্ধ এলাকাগুলো আক্রান্ত হলে, কেউ রেহাই পাবে না তার প্রভাব থেকে। এটি যেমন সত্য, তেমনি সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো সম্পদ দখল এবং বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে কত নৃশংস হতে পারে, যুদ্ধের আগুনে পুড়িয়ে দিতে পারে এবং নিজেদের মতো করে দুনিয়াকে ভাগ বণ্টন করতে গিয়ে মানবিকতা, গণতন্ত্র সবকিছুকে ধূলিসাৎ করতে পারে তার নিদর্শন দেখা গেছে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে।


কোটি কোটি মানুষের মৃত্যু, ব্যাপক ধংসযজ্ঞ আর বিশ্ব মানচিত্রের নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলেও যুদ্ধ শেষ হয়নি। সাম্রাজ্যবাদ থাকলে বাজার দখলের যুদ্ধ থাকবেই, লেনিনের এই বিশ্লেষণকে সত্য প্রমাণিত করে যুদ্ধ চালানো হচ্ছে পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদ এবং সামরিক, বাণিজ্যিক ও ভূরাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর ওপর। সাম্প্রতিক সময়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোল মাদুরোকে ধরে আমেরিকায় নিয়ে গিয়ে বিচারের সম্মুখীন করা আর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করা এই দুই ঘটনা দুই দেশে এবং দুই অঞ্চলে ঘটলেও একটা প্রশ্ন তৈরি হয়, কেন আমেরিকার এই আক্রমণ? তাহলে কি আন্তর্জাতিক রাজনীতি কি এমন একটা পর্যায়ে চলে গেছে, যেখানে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো তুলনামূলক দুর্বল রাষ্ট্রগুলো আর তার নেতাদের বিপজ্জনক মনে করছে?

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও