নারী-পুরুষ সমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করলে নারীর ক্ষমতায়ন বিঘ্নিত হবে

bonikbarta.com ড. সেলিম জাহান প্রকাশিত: ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৬

কিছুদিন আগে ‘নারী-পুরুষ সমতা’ প্রসঙ্গে ব্যাপক আলোচনা ও প্রশ্ন উত্থাপিত হয়। কেউ কেউ এ ধারণাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।


আর্থসামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভূত উন্নয়নের এতগুলো ধাপ পেরুনোর পরও আমরা এ কেমন অবস্থানে রয়েছি? সমতার প্রসঙ্গে নৈতিক ও আদর্শিক গুরুত্ব রয়েছে। এক্ষেত্রে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক গুরুত্বের বিষয়টি না ভাবলেও হয়। এমনকি প্রায় সব ধর্মেই নারী-পুরুষের সমতার কথা রয়েছে। তার পরও সমমর্যাদা ও অধিকার আদায়ের জন্য নারীদের শতাব্দীর পর শতাব্দী সংগ্রাম করতে হয়েছে। বিষয়টি বিভিন্ন দেশের সংবিধান ও আন্তর্জাতিক কনভেনশনের অংশ। চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানেও বৈষম্যহীনতা ও সমঅধিকারের প্রসঙ্গটিই ছিল কেন্দ্রীয় পরিসরে। নারী-পুরুষ সমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে তা এক অর্থে লৈঙ্গিক বৈষম্যকে সমর্থন করারই নামান্তর। পুরো ব্যাপারটি শুধু উদ্বেগজনক বা ক্ষোভেরই নয়, বরং ভীতিকরও। কারণ এর পেছনে রয়েছে নারীর প্রতি বিদ্বেষ ও পক্ষপাত। ভয়ের বিষয় হলো সমাজে এ ধরনের প্রবণতা ক্রমেই বাড়ছে।


সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের প্রতি বিদ্বেষ ও পক্ষপাতের এ বৃদ্ধি কয়েকটি কারণে ঘটছে: পিতৃতান্ত্রিক কাঠামো, পুরুষদের চরম শ্রেষ্ঠত্ববোধ জাহির করার প্রবণতা, ক্রমবর্ধমান মৌলবাদ এবং নারীবিদ্বেষী সংস্কৃতির বিস্তারের কারণে। এসব কারণে পুরুষেরা নারীদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার কেড়ে নিতে চায়, তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। অনেক সময় নারীদের কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চায় এবং তাদের বহুমাত্রিক পরিচয়কে সীমাবদ্ধ করার চেষ্টা করে। শেষ পর্যন্ত নারীদের প্রতি এ বিদ্বেষ ও বিরুদ্ধ পক্ষপাত তাদের ক্ষমতাহীন করতে চায় এবং সহিংসতার জন্ম দেয়। বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে দৃশ্যমান উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, এ কথা সত্য।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও