ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ২৫ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা

যুগান্তর প্রকাশিত: ০৪ মার্চ ২০২৬, ২২:০৪

দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির ওই আগ্রাসনের পর হাতের মুষ্ঠি ছেড়ে দিয়েছে তেহরানও।  ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ছে উগ্র ইহুদিবাদী ভূখণ্ড ও উপসাগরীয় দেশগুলোয় মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে। 


সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে সমগ্র অঞ্চলে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জ্বালানি মার্কেট। ইরান বিশ্বের তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় হাহাকার শুরু হয়েছে ইউরোপ ও আমেরিকায়। সামগ্রিক বিবেচনায় এ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি হতে পারে ২১ হাজার কোটি ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় দাঁড়ায় ২৫দশমিক ৬৯ ট্রিলিয়ন বা ২৫ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা। বর্তমান মুদ্রা বাজার অনুযায়ী, প্রতি ডলার ১২২ দশমিক ৩৫২ টাকা ধরলে এ সংখ্যা পাওয়া যায়।


পেন হোয়ার্টন বাজেট মডেলের পরিচালক ও রাজস্ব বিশ্লেষক কেন্ট স্মেটার্সের মতে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে মার্কিন অর্থনীতির ২১০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে। 


স্মেটার্স সম্প্রতি বলেছেন, চলমান সংঘাত ইতোমধ্যে বাণিজ্য, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও গ্যাসোলিনের দামে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে, যদিও অর্থনীতির ওপর এই যুদ্ধের প্রভাব কতটা সুনির্দিষ্টভাবে পড়বে তা অনুমান করা কঠিন। তার বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ ১১৫ বিলিয়ন ডলার, তবে সংঘাতের ধরণ ও স্থায়িত্বের ওপর ভিত্তি করে এই অংক ৫০ বিলিয়ন থেকে ২১০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। 


তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যুদ্ধব্যয় গণনার ক্ষেত্রে আমার একটি সমস্যা হলো—তারা বিকল্প পরিস্থিতি বা ‘কাউন্টারফ্যাকচুয়াল’ বিষয়টিকে পুরোপুরি উপেক্ষা করে। ইরান যদি সত্যিই পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেত, তবে পরে আমাদের সামরিক খাতে এবং এমনকি শহরগুলো পুনর্গঠনে আরও অনেক বেশি অর্থ ব্যয় করতে হতো।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও