ইরানে হামলার পর নতুন পরীক্ষার মুখে মার্কিন অর্থনীতি

ঢাকা পোষ্ট প্রকাশিত: ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৩:০২

গত এক বছর ধরে বাণিজ্যযুদ্ধ, অভিবাসন সংকট এবং নানাবিধ অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলে ওঠা মার্কিন অর্থনীতি এখন এক চরম অগ্নিপরীক্ষার মুখোমুখি। ইরানের দীর্ঘকালীন ইসলামপন্থি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রকাশ্য লক্ষ্য নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আকস্মিক ও অনির্দিষ্টকালের এই সামরিক অভিযানের সিদ্ধান্ত পুরো বিশ্বকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। ট্রাম্পের এই রণকৌশল কেবল মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র নয়, বরং বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা ও উত্তেজনার এক নতুন ঢেউ তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের পাল্টা আঘাত এবং ট্রাম্পের এই সংঘাত ‘অন্তত কয়েক সপ্তাহ’ স্থায়ী হতে পারে— এমন হুঁশিয়ারির পর বিশ্বজুড়ে এক গভীর অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে। এই উদ্ভূত পরিস্থিতির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে বিশ্লেষকরা এখন নানা জটিল সমীকরণ মেলাতে ব্যস্ত। সংঘাতের শুরুতেই বিশ্ববাজারে এর তীব্র প্রভাব অনুভূত হয়েছে; তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৭০ ডলার থেকে এক লাফে প্রায় ৮০ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে, যদিও পরবর্তীতে তা সামান্য থিতু হয়। তবে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান ধমনী ‘হরমুজ প্রণালী’। এই পথে জাহাজ চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়ায় বর্তমানে পুরো বিশ্বের জ্বালানি নিরাপত্তা এক চরম হুমকির মুখে।


মার্কিন অর্থনীতির ওপর প্রভাব


যদিও নিজস্ব তেল ও গ্যাস উৎপাদনের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় জ্বালানি সংকটের ধাক্কা কিছুটা কম অনুভব করবে, তবুও বৈশ্বিক বাণিজ্য, দ্রব্যমূল্য এবং বিনিয়োগের ওপর এই সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব মার্কিন অর্থনীতির জন্যও শুভ হবে না। এটি বছরের শুরুতে মার্কিন অর্থনীতির জন্য তৈরি হওয়া ইতিবাচক এবং ঊর্ধ্বমুখী প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।


সিইও-দের আস্থা ও বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের উদ্বেগ


সম্প্রতি ব্যবসায়িক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘কনফারেন্স বোর্ড’-এর এক জরিপে দেখা গেছে, মার্কিন অর্থনীতি এবং নিজ নিজ শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিইও-দের (প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা) মধ্যে আস্থার পারদ ঊর্ধ্বমুখী ছিল। তবে এই স্বস্তির মাঝেও কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৬০ শতাংশ সিইও মনে করেন, এই উত্তেজনা ব্যবসায়িক পরিবেশের জন্য বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটাতে পারে।


এমনকি বিশ্বব্যাংকও মার্কিন অর্থনীতির ভবিষ্যৎকে অত্যন্ত ‘উচ্ছ্বসিত’ বা আশাব্যঞ্জক বলে অভিহিত করেছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের মতো একটি প্রধান তেল উৎপাদনকারী অঞ্চলে আকস্মিক ও অনিশ্চিত এই সংঘাত এখন নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। বিশ্বজুড়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল (শিপিং), সরবরাহ চেইন এবং নিত্যপণ্যের দামের ওপর এই যুদ্ধের যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে, তাতে বিশ্বব্যাংকের সেই ইতিবাচক মূল্যায়ন শেষ পর্যন্ত কতটুকু টিকে থাকবে, তা এখন বড় প্রশ্ন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও