ঘর সংস্কারে যেসব নিয়ম মানলে কমবে অপচয়

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০২ মার্চ ২০২৬, ০০:০৫

ঘর সংস্কার মানেই অনেক সময় ভাঙচুর, নতুন করে সাজানো আর বাড়তি পরিমাণ বর্জ্য তৈরি হওয়া।


তবে একটু পরিকল্পনা করলেই এই প্রক্রিয়াকে অনেক বেশি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব করা সম্ভব।


তাই বিশেষজ্ঞরা জানান, সংস্কারের আগে কী রাখা উচিত আর কী বাদ দেওয়া উচিত।


পরিকল্পনাই বাঁচাবে অর্থ ও পরিবেশ


অন্দরসজ্জাবিদ গুলশান নাসরিন বলেন, “নির্মাণ বর্জ্যের একটি বড় অংশই আসে ভুল পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত থেকে। সংস্কারের শুরুতেই যদি সঠিকভাবে ভাবা যায় কোন জিনিস রাখা যাবে, কোনটি পুনর্ব্যবহার করা যাবে, তাহলে অপ্রয়োজনীয় খরচ ও অপচয় অনেকটাই কমানো সম্ভব।”


অর্থাৎ সংস্কারের আগে একটি পরিষ্কার পরিকল্পনা থাকা জরুরি। বাড়ির মূল কাঠামো ও চরিত্র বুঝে সিদ্ধান্ত নিলে তা দীর্ঘদিন টেকসই হয়। বারবার পরিবর্তনেরও প্রয়োজন পড়ে না।


আলমারি: ফেলে না দিয়ে নতুন রূপ দেওয়া


“বাড়ির আলমারি বা কেবিনেট এমন একটি অংশ, যা খুব সহজেই পুনর্ব্যবহার করা যায়। পুরো আলমারি বদলানোর পরিবর্তে শুধু দরজা বা ড্রয়ারের অংশ পরিবর্তন করলেই অনেক সময় নতুনের মতো দেখায়”- বলেন গুলশান নাসরিন।


পুরানো আলমারি অন্য জায়গায় ব্যবহার করা যায়, যেমন- ছোট রান্নাঘর, খেলাঘর বা সংরক্ষণ কক্ষ। যদি একেবারেই ব্যবহারযোগ্য না হয়, তখন তা পুনর্ব্যবহার অনলাইনে দিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাও করা যায়।


তবে অনেক আধুনিক আলমারি এমন উপাদানে তৈরি, যা পুনর্ব্যবহারযোগ্য নয়। তাই নতুন কেনার সময় দীর্ঘস্থায়ী উপকরণ বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।


রান্নাঘরের কাজের টেবিল: বদল নয়, মানিয়ে নেওয়া


রান্নাঘরের টেবিল বা কাউন্টারটপ পুরানো মনে হলে তা ফেলে দেওয়া উচিত নয়। তবে ডিজাইনের সামান্য পরিবর্তনেই পুলানো টেবিল নতুনভাবে মানিয়ে নেওয়া যায়।


“রংয়ের সামঞ্জস্য, পালিশ বা হালকা সংস্কার করলে এটি আবার ব্যবহারযোগ্য হয়ে ওঠে। কাঠের তৈরি টেবিল হলে ঘষে পরিষ্কার করে তেল বা প্রলেপ দিলে দীর্ঘদিন ভালো থাকে”- পরামর্শ দেন গুলশান নাসরিন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও