মস্তিষ্ক তরুণ রাখার ৫ কৌশল

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২:৩০

শৈশবে আমাদের মস্তিষ্ক খুব দ্রুত কাজ করে। তখন নিউরনের মধ্যে নতুন সংযোগ তৈরি হয়। জীবনের প্রথম কয়েক বছরে প্রতি সেকেন্ডে লাখ লাখ স্নায়ু-সংযোগ গড়ে ওঠে। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই গতি কমে যায়, নিউরনের মধ্যে তখন আর নতুন সংযোগ হয় না এবং মস্তিষ্ক তখন ধীরগতিতে কাজ করে। এমন কিছু অনুশীলন আছে, যেগুলো নিয়মিত চর্চা করলে আপনার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকবে।


শরীর শক্ত রাখতে যেমন ব্যায়াম করার প্রয়োজন, তেমনি মস্তিষ্ক ভালো রাখতে মনকে সক্রিয় রাখা জরুরি। পড়াশোনা, কাজ, সামাজিকতা ও শখের চর্চা ‘কগনিটিভ রিজার্ভ’ গড়ে তোলে, যা মস্তিষ্ককে নতুন পথ খুঁজে নিতে সাহায্য করে এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায়। কগনিটিভ রিজার্ভ হলো মস্তিষ্কের সেই ক্ষমতা, যা আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষতির বিরুদ্ধে জ্ঞানগত কাজ চালিয়ে যেতে সাহায্য করে।


চলুন, মস্তিষ্ককে দীর্ঘদিন তরুণ রাখার আরও পাঁচটি কার্যকর উপায় জেনে নেওয়া যাক-


১. নতুন কিছু শেখার জন্য কখনোই দেরি করবেন না


প্রত্যেক মানুষের জন্য ‘জ্ঞানগত স্বাস্থ্য’ খুব গুরুত্বপূর্ণ। জ্ঞানগত স্বাস্থ্য হলো যুক্তি দেওয়ার ক্ষমতা, সমস্যা সমাধান করা, মনোযোগ ধরে রাখা এবং দ্রুত তথ্য বোঝার ক্ষমতা।


বয়সের সঙ্গে এগুলো কিছুটা ধীর হতে পারে, কিন্তু পুরোপুরি কমে যায় না। স্কটল্যান্ডের হেরিয়ট-ওয়াট ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী অ্যালান গাও ম‌নে ক‌রেন, ‘জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে আমরা মস্তিষ্ককে ভালো রাখতে ও শক্তিশালী করার সুযোগ পাই।’ নতুন কিছু শেখার মাধ্যমে আমরা জ্ঞানগত স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে পারি। 


২. মস্তিষ্কের জন্য সঠিক খাবার প্রয়োজন


দীর্ঘদিন ভালোভাবে বাঁচতে চাইলে সুষম খাবার খাওয়া খুবই জরুরি—এ কথা বহু গবেষণায় প্রমাণিত। বিশেষজ্ঞরা বলেন, আঁশ (ফাইবার) মস্তিষ্কের জন্য খুব উপকারী। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার যাঁরা নিয়মিত খেয়েছেন, তিন মাস পর তাঁদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা উন্নত হয়েছে।


শরীরে চর্বিরও প্রয়োজন আছে। ওমেগা-৩-সমৃদ্ধ মাছ এবং আখরোটে থাকা ভালো চর্বি (পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট) মস্তিষ্কের জন্য উপকারী এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায়।


৩. ব্যায়াম শরীর ও মন দুটিই ভালো রাখে


প্রতিদিন ভারী ব্যায়াম করা সম্ভব না হলে হালকা ব্যায়াম করুন। আর হালকা ব্যায়ামও যদি না পারেন, তাহলে নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, মধ্যবয়সে নিয়মিত ব্যায়ামকারীদের ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি প্রায় ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত কম হতে পারে। ব্যায়াম মস্তিষ্কের সেই অংশগুলোকে শক্তিশালী করে, যা আলঝেইমারের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ। এ ছাড়া ব্যায়াম মন ভালো রাখে এবং বিষণ্নতা কমায়।


সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও