সিবিএর তিন নেতাকে নিয়ে ‘নমনীয়’ কর্তৃপক্ষ

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৯

একটি ফৌজদারি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ১১ দিন জেল খেটেছিলেন যমুনা অয়েল কোম্পানির চার কর্মচারী। ১৯৯৯ সালের সেই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বরখাস্ত করা হয় তাঁদের। তবে এখন আর আগের সেই অবস্থানে নেই সরকারি এ প্রতিষ্ঠান। ৮ মাস আগে ফৌজদারি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন কোম্পানির শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি মো. আবুল হোসেন; একই ধরনের মামলায় দুই মাস ধরে কারাগারে সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এয়াকুব এবং কার্যকরী সভাপতি, ফতুল্লা ডিপোর ম্যানেজার জয়নাল আবেদীন টুটুল ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর লাপাত্তা। তবে প্রভাবশালী এই তিন নেতার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি প্রতিষ্ঠানটি।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যমুনার শক্তিধর সিবিএ নেতা হিসেবে তিনজনের আলাদা পরিচিত আছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাঁরা শ্রমিক লীগ করলেও এখন শ্রমিক দলে ভিড়েছেন। তিনজনের নামে জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগে মামলা রয়েছে। সেই মামলায় আবুল হোসেন ও এয়াকুব কারাগারে আছেন। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধে যমুনা অয়েল কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। যদিও সরকারি চাকরি আইন-২০১৮-এ বলা হয়েছে, কোনো কর্মচারী দেনার দায়ে কারাগারে আটক থাকলে অথবা কোনো ফৌজদারি মামলায় গ্রেপ্তার হলে বা তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গৃহীত হলে, সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ আটক, গ্রেপ্তার বা অভিযোগপত্র গ্রহণের দিন হতে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করতে পারবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও