ট্রাম্পের ইরান পরিকল্পনার পেছনে কলকাঠি নাড়ছে কারা?
ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন বিমান হামলার সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত করেননি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে প্রশাসনের ভেতরে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি এই সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বলে জানা গেছে। বিশেষ করে, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনারের মতামতের ওপরই প্রেসিডেন্টের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করতে পারে। উল্লেখ্য, তারা দুজনই ইহুদি ধর্মানুসারী।
বিশেষ দূতদের ভূমিকা
মার্কিন প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, জেনেভায় নির্ধারিত শেষ দফার আলোচনায় উইটকফ ও কুশনার নেতৃত্ব দেবেন। তারা মূল্যায়ন করবেন, তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ত্যাগের বিষয়ে গড়িমসি করছে কি না। তাদের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নেবেন—চুক্তি সম্ভব কি না, নাকি সামরিক পথেই এগোতে হবে।
ট্রাম্প ঘনিষ্ঠদের জানিয়েছেন, আলোচনায় অগ্রগতি না হলে প্রথমে সীমিত হামলা চালিয়ে ইরানকে চাপ দেওয়া হতে পারে। তাতেও ফল না এলে আরও বড় ধরনের হামলা, এমনকি সরকার পরিবর্তনের কৌশলও বিবেচনায় রয়েছে।
কারা দিচ্ছেন পরামর্শ?
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প নিয়মিত ব্রিফিং নিচ্ছেন হোয়াইট হাউজের সিচুয়েশন রুমে। তার প্রধান উপদেষ্টাদের মধ্যে রয়েছেন—
- ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স
- পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও
- সিআইএ পরিচালক জন র্যাটক্লিফ
- প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ
- জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন
- হোয়াইট হাউজ চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলস
- ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড
- ট্যাগ:
- আন্তর্জাতিক
- বিমান হামলা
- ইরান-মার্কিন