গণতন্ত্রের এ যাত্রা শুভ হোক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল এবারই প্রথম সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটে জুলাই সনদ অনুমোদিত হয়েছে। অর্থাৎ নির্বাচিত হয়ে যারা সরকার গঠন করেছেন, তাদের জন্য আগামীতে জুলাই সনদের চেতনার আলোকে বৈষম্যমুক্ত এবং উদার গণতান্ত্রিক পথে দেশ পরিচালনার বাধ্যবাধকতা আরোপিত হয়েছে। আমরা যদি আগামীতে জুলাই চেতনার আলোকে দেশ পরিচালনা করতে পারি, তাহলে রাষ্ট্রপরিচালনায় কোনো স্বৈরাচারী অপশক্তির আবির্ভাব ঘটার আশঙ্কা থাকবে না। আগামীতে দেশ পরিচালনায় জনগণের মতামত প্রাধান্য পাক এবং বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে একটি উদার গণতান্ত্রিক কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত হোক, এটাই একান্ত কামনা।
দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী অপশাসনের কারণে দেশের প্রতিটি সেক্টর ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে। নতুন সরকারকে তাই এমন কিছু সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে, যা অতীতে কোনো সরকারকেই মোকাবিলা করতে হয়নি। প্রতিটি সমস্যাই অত্যন্ত জটিল এবং এগুলো উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত। কিন্তু এসব সমস্যার দায়ভার নতুন সরকারকেই বহন করতে হবে। এসব সমস্যা সফলভাবে মোকাবিলার ওপর নতুন সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতা অনেকাংশেই নির্ভর করছে। এর মধ্যে কিছু সমস্যা আছে, যা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। আর কিছু সমস্যা আছে, যা সমাধানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচনি মেনিফেস্টোতে সুস্পষ্ট অঙ্গীকার করা হয়েছে।