পরিবহন থেকে বছরে চাঁদা ২ হাজার কোটি টাকা

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:১৮

পরিবহন খাতে দেশজুড়ে ‘শ্রমিক কল্যাণ ফান্ড’-এর নামে নিয়মিত বিপুল অঙ্কের অর্থ আদায় হলেও তার যথাযথ সুফল শ্রমিকেরা পান না—এ অভিযোগ পুরোনো। পরিবহনশ্রমিকদের দাবি, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁদের কল্যাণের কথা বলে তোলা এ অর্থের স্বচ্ছ হিসাব নেই। একটি বড় অংশ সংগঠনের নেতাদের নিয়ন্ত্রণে থেকে যায়।


নিয়মিত কল্যাণ তহবিলের চাঁদার পাশাপাশি নানা খাতে অঘোষিত অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। অন্যদিকে চাঁদার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে আইনভঙ্গের পাশাপাশি ঘটছে অপরাধ কার্যক্রম ও রক্তক্ষয়ী সহিংসতাও। মহাসড়কে চাঁদাবাজি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সঙ্গেও সরাসরি জড়িত।


১৯ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে পরিবহন খাতে চাঁদার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। মন্ত্রী সেদিন বলেন, মালিক ও শ্রমিক সমিতি সমঝোতার ভিত্তিতে অর্থ তোলে বলে তাকে তিনি চাঁদাবাজি মনে করেন না। জোরপূর্বক অর্থ আদায় হলে তাকে চাঁদাবাজি বলা যায়। প্রশ্রয়ের শামিল আখ্যা দিয়ে সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহল থেকে মন্ত্রীর এ মন্তব্যের সমালোচনা করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও