নিঃসঙ্গতায় কষ্ট না পেয়ে সময় কাজে লাগান
রমজান এলেই অনেকে নিজের একা থাকা আরও কঠিন বলে ভাবতে শুরু করেন। কারণ, এই মাসে পরিবারের সঙ্গে ইফতার ও সেহরি করার মধ্যে অন্য রকম আত্মিক শান্তি থাকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন অন্য কাউকে পরিবারের সঙ্গে এই শান্তি ভাগাভাগি করতে দেখা যায়, তখন একা থাকা অনেকে বিষাদে ভোগেন। অন্য সময়গুলোতে একাকিত্ব তাঁদের এত বেশি কষ্ট না দিলেও এই মাসজুড়ে একটা অপূর্ণতা তাঁদের থেকেই যায়; বিশেষ করে আরব বা আমাদের মতো সংস্কৃতিতে, যেখানে রমজান মানেই পারিবারিক বন্ধন, সেখানে একা থাকাটা মানসিকভাবে বছরের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং সময় হয়ে দাঁড়ায়।
কেন এই খারাপ লাগা
এই সময়ের সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো রমজানের আনন্দ মনে করিয়ে দেয় এমন মুহূর্তগুলোর অনুপস্থিতি। প্রিয়জনদের সঙ্গে ইফতার বা জামাতে নামাজের যে আবেগীয় সংযোগ, তা একা একা খুঁজে পাওয়া কঠিন। ফলে ওই সময়ে ছোট কোনো কিছুও বড় কষ্ট দেয়। টেলিভিশনে যখন পারিবারিক পুনর্মিলনের বিজ্ঞাপন দেখানো হয়, তখন প্রবাসে বা একা থাকা মুসলিমদের একাকিত্ব আরও প্রকট হয়ে ওঠে। এখানের অনেক বড় একটি চ্যালেঞ্জ হলো রুটিন ঠিক রাখা। রান্না করা বা খাওয়ার মতো কেউ নেই বলে অনেক সময় সেহরি বা ইফতারের সেই আমেজটাই হারিয়ে যায়।