এ স্থূলতার কারণে নানান রোগ হতে পারে, যেমন ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগ, দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসযন্ত্রের প্রদাহ, স্নায়ুরোগ, নিদ্রাহীনতা, হজমজনিত রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, পিত্তথলির পাথর, কোলন ক্যান্সার। এটি শুধু প্রাপ্তবয়স্কই না, শিশু-কিশোরদের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রতি আটজনের একজন স্থূলতা বা মেদাধিক্য সমস্যায় ভুগছে। ২০২২ সালে স্থূলতার সংখ্যা ১৯৯০ সালের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি এবং কিশোর-কিশোরীদের স্থূলতার সংখ্যা বর্তমানে ১৯৯০ সালের চেয়ে চার গুণ বেড়েছে।