পুষ্টিগুণে ভরপুর মসুর ডাল সবার জন্য নিরাপদ নয়
বাংলাদেশ ও ভারতীয় উপমহাদেশের খাদ্যাভ্যাসে মসুর ডাল একটি অপরিহার্য অংশ। ভাতের সঙ্গে ডাল না হলে অনেকের খাবার অসম্পূর্ণ মনে হয়।
ডালনা, চচ্চড়ি, আমডাল, পুঁই ডাল, ডালের স্যুপ, পিঁয়াজু বা ডালপুরি— এসব পদে মসুর ডালের ব্যবহার অত্যন্ত সাধারণ।
উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে এটি নিরামিষভোজীদের খাদ্যতালিকায় বিশেষ স্থান দখল করে। তবে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক চিকিৎসক ডা. আফসানা হক নয়ন জানান, এই ডালের পুষ্টিগুণ অসাধারণ হলেও সবার জন্য এটি সমানভাবে উপকারী নয়।
এক কাপ রান্না করা মসুর ডালে সাধারণত থাকে- প্রায় ১৮০ ক্যালরি, ১০ গ্রাম প্রোটিন, ৬ গ্রাম আঁশ, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, লৌহ, ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক ও ফোলেইট।
ডা. নয়ন বলেন, “এসব উপাদান শক্তি যোগানো, রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। তবে কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থায় এই উপাদানগুলোই সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।”
গেঁটেবাত বা উচ্চ ইউরিক অ্যাসিডের রোগীদের জন্য মসুর ডাল এড়িয়ে চলা উচিত। এতে পিউরিনের পরিমাণ বেশি থাকায় শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যেতে পারে, যা জয়েন্টে ব্যথা ও প্রদাহ বাড়িয়ে দেয়।
- ট্যাগ:
- স্বাস্থ্য
- স্বাস্থ্য ঝুঁকি
- মসুর ডাল