রোজার বাজার: সরবরাহ সংকটে দামে ঊর্ধ্বগতি

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৬

পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের সব বড় শহরের খুচরা বাজারে সবজি, মাছ, মুরগি, মসলা ও ইফতারসামগ্রীর দামে ঊর্ধ্বগতি। বন্দরকেন্দ্রিক অচলাবস্থা, নির্বাচনকালীন ছুটি ও পরিবহনসংকটে সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ ক্রেতারা।


জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, রমজানের প্রধান ভোগ্যপণ্য ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মসুর ডাল ও গমের আমদানি গত বছরের তুলনায় বেড়েছে। গত আড়াই মাসে (গত ১ ডিসেম্বর-১৪ ফেব্রুয়ারি) সয়াবিন ও পাম তেল আমদানি হয়েছে প্রায় ৫ লাখ ৭৪ হাজার টন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪ হাজার টন বেশি। পাশাপাশি সয়াবিনবীজ আমদানি ১৫ শতাংশ বেড়ে ৬ লাখ ৭৪ হাজার টনে পৌঁছেছে, যা থেকে প্রায় ১ লাখ ২১ হাজার টন সয়াবিন তেল উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে। ট্যারিফ কমিশনের হিসাবে, রমজানে ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ৩ লাখ টন হলেও আমদানির পরিমাণ চাহিদার তুলনায় বেশি।

চিনির ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। রমজানে প্রায় ৩ লাখ টন চিনির চাহিদার বিপরীতে গত আড়াই মাসে আমদানি হয়েছে ৪ লাখ ৭৩ হাজার টন, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩৯ শতাংশ বেশি। মসুর ডাল আমদানি হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার টন, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪৩ শতাংশ বেশি। ছোলার চাহিদা প্রায় ১ লাখ টন হলেও গত আড়াই মাসে আমদানি হয়েছে ১ লাখ ৫৯ হাজার টন।

আমদানি বাড়লেও সরবরাহ বাড়েনি। ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, রমজানের পণ্যের আমদানি ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। কিন্তু চলতি বছর বন্দরকেন্দ্রিক আন্দোলন, লাইটার জাহাজ সংকট ও পরিবহন সমস্যার কারণে পণ্য খালাস ও বাজারজাতকরণে বিলম্ব হয়েছে। ফলে আমদানি করা পণ্য সময়মতো কারখানা ও গুদামে পৌঁছাতে না পারায় পাইকারি বাজারে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও