‘শহীদের শোকসভা’ ঘিরে ইরান আবারও সংকটের মুখে
ইরানের সামনে এক সংকটময় মুহূর্ত দাঁড়িয়ে আছে। আর মধ্যপ্রাচ্যও আছে অনিশ্চয়তার মুখে। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে ইসলামপন্থী শাসন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পরিষ্কার যে ছিল, তেহরানে বড় কোনো অস্থিরতা হলে তার প্রভাব বিশ্বজুড়ে পড়ে।
ওমানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তাঁর দল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় বসেছেন। অনেক বিশ্লেষকের মতে, দুই পক্ষের অবস্থানের ফারাক এতটাই বেশি যে তা সহজে মেটানো সম্ভব নয়, বরং সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে। এর মধ্যেই ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরানে শাসন পরিবর্তনই হতে পারে সবচেয়ে ভালো ঘটনা। ফলে উত্তেজনা ও ঝুঁকি—দুটিই বাড়ছে।
১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল, তাদের নিয়ন্ত্রণ এখন চ্যালেঞ্জের মুখে। যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত লক্ষ্য ইরানের শাসন পরিবর্তন বলেই মনে হচ্ছে। অনেকের মতে, সেই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর ও ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে, আশির দশকের পর সবচেয়ে বড় বিক্ষোভের ঢেউ ইরানে ছড়িয়ে পড়ে। মাশহাদ থেকে আবাদান পর্যন্ত লাখো মানুষ রাস্তায় নামে।