রোজার আগে জেনে নিন কোন খেজুরের কী গুণ

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:৩৮

রমজান মাস প্রায় চলেই এলো। আর রোজা মানেই ইফতারে খেজুর থাকা চাই-ই চাই। কয়েকটি খেজুরেই শরীর যেন শক্তি ফিরে পায়, রক্তে শর্করার ভারসাম্য ফিরে আসে এবং শরীরের খরা মিটে। কিন্তু কোন ধরনের খেজুর কিনবেন?


বাংলাদেশে বাজারে বিভিন্ন ধরনের খেজুর পাওয়া যায় - তার প্রতিটিরই স্বাদ, গঠন ও পুষ্টিগুণ আলাদা। তাই রমজানের বাজার করার আগে জেনে নিন কোন খেজুরের কী বিশেষত্ব, আর রোজার জন্য কোনটা সবচেয়ে উপযোগী।


১. খুরমা
খুরমা হলো সবচেয়ে সাধারণ ও পরিচিত খেজুর। এটি মিষ্টি, নরম এবং সহজে হজমযোগ্য। খুরমায় আছে প্রচুর প্রাকৃতিক শর্করা - গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজ - যা রোজার সময় শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায়। এছাড়া এতে ফাইবার থাকে, যা হজমে সহায়ক।


এটি দ্রুত শক্তি দেয় ও হজম সহজ করে, তাই শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিশেষ ভাবে উপযোগী।


২. মেডজুল
মেডজুলকে খেজুরের রাজা বলা হয়। বড়, রসালো ও নরম এই খেজুরটি মিষ্টি স্বাদে সমৃদ্ধ। এর মধ্যে ভিটামিন বি–কমপ্লেক্স, আয়রন ও পটাশিয়াম রয়েছে, যা রক্তস্বল্পতা ও ক্লান্তি কমাতে সহায়তা করে।


৩. সাফাওয়ি
সাফাওয়ি খেজুর তুলনামূলক ছোট, কিন্তু খুবই মসৃণ ও মিষ্টি। রোজার সময় পেট ভরাতে এটি ভালো অপশন। আকারে ছোট বলে রক্মের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও এটি সাহায্য করে বলে অনেক পুষ্টিবিদ মনে করেন।


৪. আম্বাবি বা হানি ডেট
এই খেজুরের আকৃতি একটু ছোট, তবে রস ও স্বাদে মধুর মতো মিষ্টি। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও খনিজ উপাদানের ভারসাম্য ভালো, যা সারাদিনের রোজা শেষে শরীরকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে।


মিষ্টি ঘ্রাণ এই খেজুরের একটি বিশেষত্ব।


৫. স্থানীয় প্রজাতির খেজুর বা খাজুর
বাংলাদেশের খুলনাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে এই খেজুর পাওয়া যায়। এগুলো তুলনামূলকভাবে কম মিষ্টি, কিন্তু ফাইবার বেশি থাকে। সেই সঙ্গে এটি পেট ভরাতে কার্যকর।


রোজার জন্য কোন খেজুর বাছাই করবেন?
রোজা ভাঙার সময় শরীরকে দ্রুত শক্তি দেওয়ার জন্য পুষ্টিবিদরা সাধারণত মেডজুল বা সাফাওয়ি খেজুরকে প্রাধান্য দেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে