You have reached your daily news limit

Please log in to continue


মেয়েদের মাথায় টাক পড়ে না যে কারণে

জিনগত কারণে অনেকে সময় পুরুষদের টাক পড়ে। তবে কোনো পরিবারে পুরুষদের টাক পড়তে দেখা গেলেও সেই পরিবারের নারীদের টাক পড়তে দেখা যায় না। নারীদের ক্ষেত্রে বড়জোর মাথার তালুর দিকের কিছুটা অংশ ফাঁকা হয়ে যায়।

নারী এবং পুরুষের চুল পড়ার বিষয়টা কেন এমন আলাদা? জানতে অরোরা স্কিন অ্যান্ড অ্যাস্থেটিকসের সিনিয়র কনসালট্যান্ট এবং হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. মাহাবুবুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেছিলাম।

পার্থক্যটা হরমোনে

পুরুষের দেহে ডাইহাইড্রোটেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেশি থাকে। এই হরমোনের প্রভাবে ধীরে ধীরে চুল পাতলা হয়ে যায়। নতুন চুলও আর গজায় না।

পুরুষের মাথার তালুসহ বেশ অনেকটা অংশে চুলের ফলিকলে এই হরমোনের জন্য বিশেষ ধরনের রিসেপ্টর থাকে। তাই যাঁদের টাক পড়ে যাওয়ার জিনগত বৈশিষ্ট্য থাকে, তাঁদের মাথার ওই অংশের চুল পড়ে যায়, যেখানে রিসেপ্টরগুলো থাকে। নতুন করে চুল গজাতেও পারে না।

অন্যদিকে নারীর দেহে এই হরমোনের মাত্রা অনেক কম। চুলে এই হরমোনের জন্য রিসেপ্টরের সংখ্যাও কম। তাই নানা কারণে নারীর চুল পড়লেও পুরুষের মতো টাক পড়ে না। তা ছাড়া নারীর দেহে থাকা ইস্ট্রোজেন হরমোন চুল পড়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

তবে চুল খুব পড়ে

নানান কারণে নারীদের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চুল পড়তে পারে। মানসিক চাপ, পুষ্টিহীনতা কিংবা হরমোনের তারতম্যে এমনটা হতে দেখা যায়। যে কারণে চুল পড়ছে, সেটির সমাধান হয়ে গেলে অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা সেরে যায়।

কিছু রোগে নারীর দেহে ডাইহাইড্রোটেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বাড়তে পারে। এর প্রভাবে মাথার কিছু অংশে টাক পড়তে পারে। তবে যেহেতু নারীর চুলের ফলিকলে এই হরমোনের রিসেপ্টর তুলনামূলক কম, তাই এ ক্ষেত্রেও পুরুষের মতো বড় ধরনের টাক পড়ে না।

নারীদের টাক পড়লে মাথার তালুর দিক থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে নিচের দিকে ছড়াতে পারে। সিঁথি অস্বাভাবিক চওড়া হয়ে যেতে পারে। তবে চিকিৎসা নিলে এ সমস্যার উপশম হয় অনেকটাই।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন