রয়টার্সের প্রতিবেদন : নির্বাসন থেকে ক্ষমতার শীর্ষে, তারেক রহমানের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২৬

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার হয়ে লন্ডনে প্রায় দুই দশক স্বেচ্ছানির্বাসনের ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখান থেকে দেশে ফিরে মাত্র দেড় মাসের মাথায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে জয়লাভ করে প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তিনি।


একসময় যার ওপর দুর্নীতির অভিযোগে কঠোর দমন-পীড়ন নেমে এসেছিল, সেই নরম স্বভাবের ৬০ বছর বয়সী নেতা এখন দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে।


২০০৮ সালে সেনাবাহিনী-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেফতার ও কারাবন্দি অবস্থায় অমানবিক নির্যাতনের পর চিকিৎসার প্রয়োজন দেখিয়ে দেশ ছাড়েন তারেক। প্রায় ১৬ বছর পর গত ২৫ ডিসেম্বর তিনি ঢাকায় ফেরেন।


ফেরার দিন ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হাজারো নেতাকর্মীর ভিড়, ঢাকায় বিজয়ী প্রত্যাবর্তনের আবেগ- সব মিলিয়ে এক নাটকীয় দৃশ্যের অবতারণা হয়। দেশের পরিবর্তিত বাস্তবতায় সময়ের স্রোত এত দ্রুত বয়ে গেছে যে, নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতেও যেন সময় পাননি তিনি। গত শনিবার রয়টার্সকে তিনি বলেন, যেদিন থেকে দেশে নেমেছি, সময় কীভাবে কাটছে বুঝতেই পারছি না।


তারেক রহমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক বংশ পরম্পরার একটি প্রতীকী নাম। তার মা বেগম খালেদা জিয়া, দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও দীর্ঘদিনের বিএনপি প্রধান, যিনি গত ৩০ ডিসেম্বর দীর্ঘ অসুস্থতার পর মৃত্যুবরণ করেন। দেশে ফেরার মাত্র পাঁচদিনের মাথায় মাকে হারান তারেক রহমান।


তারেক রহমানের বাবা জিয়াউর রহমান ছিলেন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও ১৯৭৭-১৯৮১ মেয়াদের রাষ্ট্রপতি। ১৯৮১ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানে তার মৃত্যু দেশকে আবারও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়। তিন বছর পর খালেদা জিয়া বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে শেখ হাসিনার সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য হাতে হাত মিলিয়েছিলেন। পরে দুই নেত্রীর বৈরিতা বাড়তে বাড়তে ‘ব্যাটলিং বেগমস’ আখ্যা পায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও