দলকে নতুনভাবে আলোচনার কেন্দ্রে আনার চেষ্টা শফিকুরের

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০৩

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী মাঠে জোর গলায় খোলামেলা কথা বলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তাঁর বক্তব্যের বিষয়বস্তু, শব্দচয়ন ও উপস্থাপনা দলটির দীর্ঘদিনের প্রথাগত বয়ানের চেয়ে ভিন্ন। তিনি দলটিকে নতুনভাবে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আনার চেষ্টা করেছেন।


আবার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বা ক্ষমতার পালাবদলের গৎবাঁধা কথায় না ঝুঁকে প্রায় প্রতিটি জনসভায় তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে জয়ী করে রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন এবং ‘ফ্যাসিবাদের’ ফেরার পথ বন্ধ করার কথা বলেছেন। ঘুরেফিরে ‘হক’, ‘ইনসাফ’ আর মদিনা মডেলে দেশ পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।


এ যেন ‘অপরীক্ষিত’ বিকল্প হিসেবে নিজেদের দেখানো এবং বিএনপির কৌশলের উল্টো অবস্থান আর প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে সোচ্চার রাখার চেষ্টা। লক্ষণীয় ছিল, মুক্তিযুদ্ধ, নারী ও সংখ্যালঘু প্রসঙ্গে কৌশল এবং স্পর্শকাতর সতর্কতা।


দলের দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, গত ২২ জানুয়ারি নির্বাচনী প্রচারের শুরুর দিন থেকে জামায়াতের আমির অন্তত ৬২টি জনসভায় বক্তব্য দিয়েছেন। কোথাও গেছেন গাড়িতে, কোথাও হেলিকপ্টারে। ৩০ জানুয়ারি শফিকুর রহমান ফেনী, নোয়াখালী, লাকসাম ও কুমিল্লায় চারটি বড় জনসভা করেন। এগুলোতে তাঁর বক্তব্য শুধু ভোট চাওয়াতেই থেমে থাকেনি; বরং তাঁর কথায় মূল প্রতিপক্ষ বিএনপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বয়ান গড়ার চেষ্টা ছিল স্পষ্ট।


বিশেষ করে ‘চাঁদাবাজি’ ও ‘দুর্নীতি’ প্রসঙ্গ সামনে এনে প্রায় প্রতিটি জনসভায় জামায়াতের আমির বিএনপিকে আক্রমণ করেছেন। তিনি ভোট ডাকাতি বন্ধ ও ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার কথাও বলে রেখেছেন।


নির্বাচনী এক জনসভায় জামায়াতের আমির বলেছেন, অনেকে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে এখন গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সংস্কারের বিষয়ে ‘না’-এর সুরে তাঁরা বলেছেন, অনিচ্ছা সত্ত্বেও জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছিলেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও