You have reached your daily news limit

Please log in to continue


দুই জেলার ভোটার দম্পতি, জানতে হবে যে নিয়মগুলো

বিয়ের করেছেন, এক ছাদের নিচে পেতেছেন সুখের সংসার। কিন্তু ভোটার তালিকায় স্বামী-স্ত্রী দুজনই রয়েছেন আলাদা আলাদা জেলায়। এমন অবস্থায় নতুন কিছু নয়, এটা আমাদের দেশের খুব সাধারণ একটা ঘটনা। চাকরি, পড়াশোনা, বিয়ে বা বাসস্থান পরিবর্তনের কারণে অনেক দম্পতির ভোটারের এলাকাই আলাদা থেকে যায়। কিন্তু এই বিষয়টি অবহেলা করলে ভোট দেওয়া থেকে শুরু করে জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত নানা ঝামেলায় পড়তে হতে পারে।

তাই দুই জেলার ভোটার দম্পতিরা কোন নিয়মগুলো জানবেন, কী করলে সমস্যা এড়ানো যাবে সেগুলো স্পষ্টভাবে জানা জরুরি। চলুন ঝামেলা এড়াতে জেনে নেই সমস্যা ও করণীয় সম্পর্কে।

  • স্থায়ীভাবে নতুন জেলায় বসবাস শুরু করলে
  • ভবিষ্যতে সব নাগরিক সেবা (পাসপোর্ট, ব্যাংক, সরকারি সহায়তা) সহজ করতে চাইলে
  • ভোট দেওয়ার জন্য দূরে যাতায়াত এড়াতে চাইলে

ভোটার এলাকা পরিবর্তন না করলে কী সমস্যা হতে পারে?

ভোটার এলাকা পরিবর্তন না করলে সাধারণত বড় কোনো সমস্যা হয় না, তবে নির্বাচনের সময় দূরের জেলায় গিয়ে ভোট দেওয়া কষ্টকর হতে পারে, জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা বর্তমান ঠিকানার সঙ্গে না মিললে কিছু সরকারি কাজে অতিরিক্ত যাচাই লাগতে পারে, নতুন এলাকায় ওয়ার্ডভিত্তিক সেবায় জটিলতা দেখা দিতে পারে।

ভোটার এলাকা পরিবর্তনের নিয়ম কী?

ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। এজন্য সাধারণত প্রয়োজন হয় জাতীয় পরিচয়পত্র, ঠিকানা পরিবর্তনের প্রমাণ (ভাড়ার চুক্তিপত্র, ইউটিলিটি বিল বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধির প্রত্যয়ন), অনলাইনে আবেদন অথবা উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে সরাসরি আবেদন। ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন গ্রহণ ও যাচাই শেষে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়।

বিয়ের পর ভোটার এলাকা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক নয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে ভোটার এলাকা পরিবর্তন করা যুক্তিযুক্ত। যেমন-

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন