জাপানের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি, বাংলাদেশের কী লাভ, ঝুঁকি কতটা
জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (ইপিএ) সই করেছে বাংলাদেশ। জাপানের রাজধানী টোকিওতে গত শুক্রবার এ চুক্তিতে সই করেন বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ইওয়াও। পণ্য ও সেবা বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ে ঢাকা ও টোকিওতে অনুষ্ঠিত সাত দফা দর-কষাকষির পর এই চুক্তি সই হয়। ১ হাজার ২৭২ পৃষ্ঠার এ চুক্তিতে ২২টি অধ্যায় রয়েছে। এই চুক্তি উভয় পক্ষের ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ জোরদার করার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো হিসেবে কাজ করবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, চুক্তির লক্ষ্য দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সেবা, মেধাস্বত্ব, শ্রম, পরিবেশসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং বাজারকে আরও স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক করা। চুক্তিটি দুই দেশের অর্থনীতি, ব্যবসা, বিনিয়োগ ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য সমন্বিত ও টেকসই পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে। শুধু বাণিজ্যিক নয়, এটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককেও দৃঢ় করবে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। চুক্তি অনুযায়ী, প্রায় ৭ হাজার ৩৭৯টি বাংলাদেশি পণ্য জাপানের বাজারে শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। তার বিপরীতে বাংলাদেশের বাজারে শুল্কমুক্ত বা অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবে ১ হাজার ৩৯টি জাপানি পণ্য।
- ট্যাগ:
- ব্যবসা ও অর্থনীতি
- বাণিজ্য চুক্তি