উত্তরে ভোটের বড় ‘ইস্যু’ তিস্তা, কী চান ভোটাররা

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৩০

তিস্তা শুধু ভাঙে আর ভাঙে। এই শীতেও তিস্তার ভাঙন থেমে নেই। মাসখানেক ধরে ভাঙন শুরু হয়েছে দক্ষিণ বালা পাড়া গ্রামের সামনের চরে। গ্রামবাসীর আশঙ্কা, আর পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে তিস্তার ভাঙন গ্রাম ছোঁবে।


তিস্তার দুই তীরের শত শত গ্রামের একটি লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার মহিষখোঁচা ইউনিয়নের দক্ষিণ বালা পাড়া গ্রাম। গত শনিবার সকালে ওই গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পশ্চিম থেকে পুবে বয়ে যাওয়া তিস্তা গ্রামের দিকে সামান্য ঝুঁকে পড়েছে। তাতেই ফসলসহ মাঠ, চর তিস্তার বুকে ভেঙে পড়ছে। নদীর পাশে দাঁড়ালেই বালুর চর ভেঙে পড়ার দৃশ্য চোখে পড়ে। সেচযন্ত্রের (শ্যালো মেশিন) শব্দের সঙ্গে ঝপ ঝপ করে কানে আসে পানিতে চর ভেঙে পড়ার শব্দ।


বিস্তীর্ণ চরে ফসলের চাষ। সূর্যমুখী, শর্ষে, পেঁয়াজ, রসুন, আলু আর তামাক। মো. আবু বক্কার সিদ্দিকী প্রায় তিন বিঘা জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করেছেন, কিছু রসুনও আছে। তিস্তার ভাঙন না থামলে তাঁর ফসলও নদীগর্ভে বিলীনের আশঙ্কা আছে। তিনি বলেন, গ্রামের সামনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি বাঁধ আছে। ভাঙন সে পর্যন্ত না গেলে সরকার কিছু করবে না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও