You have reached your daily news limit

Please log in to continue


এক সকালে ছেলেকে জুতা পরাতে গিয়ে বুঝলেন, দৃষ্টিশক্তি হারাচ্ছেন বাবা

প্রাত্যহিক জীবনের ছোটখাটো ভুল যে কখনো কখনো বড় কোনো বিপদের খোঁজ এনে দেয়, তারই এক চিত্র যেন দেখা গেল অ্যান্ডি জনসনের পরিবারে। সম্প্রতি পিপল ডটকমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কীভাবে ছেলের পায়ে ভুল জুতা পরিয়ে দেওয়ার একটি সাধারণ ঘটনা এক বাবার ক্রমশ দৃষ্টিশক্তি হারানোকে সামনে নিয়ে এল।

ঘটনার সূত্রপাত হয় এক সাধারণ সকালে। ৩৫ বছর বয়সী অ্যান্ডি তাঁর ছোট ছেলে ওকলেনকে স্কুলের জন্য তৈরি করছিলেন। এ সময় দুটি ভিন্ন জুতা পরিয়ে ফেলেন ছেলেকে। বিষয়টি নজরে পড়ে অ্যান্ডির স্ত্রী ড্যানি জনসনের।
সে সময় অ্যান্ডি বুঝতে পারেন, তাঁর দৃষ্টিশক্তি আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। অ্যান্ডি আগে থেকে জানতেন, তাঁর দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা রয়েছে। শৈশবেই তাঁর ‘রেটিনাল ডিস্ট্রফি’ নামে একটি জিনগত রোগ ধরা পড়ে, যার কারণে তাঁর দৃষ্টিসীমা ছিল সংকীর্ণ বা টানেল ভিশনের (পার্শ্ববর্তী দৃশ্য দেখতে না পাওয়া) মতো। তবে কেন্দ্রীয় দৃষ্টিশক্তি ভালোই ছিল এবং তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি।

কিন্তু জুতা নিয়ে এ ঘটনার পর অ্যান্ডির মনে হতে থাকে, তাঁর দৃষ্টিশক্তি আগের তুলনায় অনেক দ্রুত খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এরপর তিনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

হাসপাতালে যাওয়ার পর অ্যান্ডির আশঙ্কাই সত্যি হয়। অ্যান্ডি স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার পর নিজেকে খুব একা মনে হচ্ছিল। সবচেয়ে ভয়ংকর ছিল এই চিন্তা যে আমি কি আমাদের সন্তানদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো আর দেখতে পাব?’

বিষয়টি ধরা পড়ার পর থেকে একসময়ের আত্মবিশ্বাসী অ্যান্ডি নিজেকে সমাজ থেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করেন। নিজের ওয়াটার স্পোর্টস ব্যবসার কাজ তো বটেই, এমনকি সন্তানদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া বা রাস্তা পার হওয়ার মতো দৈনন্দিন কাজও তাঁর জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। ড্যানি জানান, এই পরিবর্তন তাদের পুরো পরিবার, বিশেষ করে ৯ বছর বয়সী বড় ছেলে ফিনলের ওপর মানসিক প্রভাব ফেলেছিল।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন