You have reached your daily news limit

Please log in to continue


পরকীয়াতে জড়ানোর যত কারণ

বিয়ের ধারণা মানবসভ্যতায় যত পুরানো, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বা পরকীয়ার বাস্তবতাও ততটাই প্রাচীন।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান দিনা এই বিষয়ে বলেন, “পরকীয়াকে কেবল নৈতিক বিচ্যুতি হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত কারণ আড়ালে থেকে যায়। এর পেছনে কাজ করে মানসিক টানাপোড়েন, সামাজিক চাপ, সাংস্কৃতিক প্রভাব, জৈবিক প্রবণতা এবং আর্থিক বাস্তবতা।”

কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয় ও ‘ইনফিডেলিটি রিকভারি ইনস্টিটিউট’য়ের গবেষণায় দেখা গেছে- মানুষ শুধু শারীরিক আকর্ষণে নয়- ভালোবাসার অভাব, গুরুত্ব না পাওয়া বা মানসিক শূন্যতা থেকেও অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।”

বিভিন্ন গবেষণা ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে পরকীয়ার কয়েকটি প্রধান কারণ উঠে এসেছে-

দাম্পত্য জীবনের অস্বস্তি: পারস্পরিক বোঝাপড়ার ঘাটতি, অবহেলা, আবেগীয় দূরত্ব বা শারীরিক অপূর্ণতা মানুষকে অন্য সম্পর্কে ঠেলে দিতে পারে।

নতুনত্ব ও রোমাঞ্চের আকর্ষণ: দীর্ঘদিনের একঘেয়ে জীবনে নতুন উত্তেজনা খুঁজতে কেউ কেউ পরকীয়াতে জড়ান। গবেষণায় দেখা গেছে, এ ধরনের সম্পর্ক সাধারণত স্বল্পস্থায়ী হয়; তিন মাস থেকে সর্বোচ্চ দুই বছর।

মানসিক স্বস্তির খোঁজ: জীবনের চাপ, দায়িত্ব বা দুশ্চিন্তার ভারে ক্লান্ত হয়ে অনেকে সম্পর্কের বাইরে মানসিক আশ্রয় খুঁজে নেন।

প্রযুক্তির সহজলভ্যতা: ডেইটিং অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পরিচয় গোপন রেখে সম্পর্ক গড়ার সুযোগ তৈরি করেছে; যা পরকীয়াকে আগের চেয়ে সহজ করে দিয়েছে।

কর্মস্থলের ঘনিষ্ঠতা: একই জায়গায় দীর্ঘ সময় কাজ করতে গিয়ে সহকর্মীদের মধ্যে আবেগীয় টান তৈরি হওয়া।

বারবার প্রেমে পড়ার প্রবণতা: কিছু মানুষ স্বভাবগতভাবে নতুন সম্পর্কে আগ্রহী। বর্তমান সঙ্গী ভালো হলেও তারা নতুন টানের কাছে দুর্বল হয়ে পড়েন।

মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা: ‘পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার’ বা ‘বাইপোলার ডিসঅর্ডার’য়ে আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্থায়ী সম্পর্কে স্থির থাকা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন