You have reached your daily news limit

Please log in to continue


আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আজ থেকে মাঠে থাকবে বিভিন্ন বাহিনীর ১০ লাখ সদস্য

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বাকি আর মাত্র চার দিন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আজ রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নেমেছেন বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ১০ লাখ সদস্য। সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপিসহ বাহিনীগুলোর সদস্যরা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট সাত দিন নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন।

ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন—সব ক্ষেত্রেই রিটার্নিং কর্মকর্তাদের অধীনে কাজ করবে এসব বাহিনী। এ ছাড়া বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আজ থেকে মোট ৯ লাখ ৭০ হাজার ৯৪৮ জন নিরাপত্তা সদস্যের নির্বাচনী দায়িত্বে থাকার কথা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন সেনাবাহিনীর ১ লাখ ৩ জন সদস্য। এ ছাড়া নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্টগার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫, পুলিশের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩, র‍্যাবের ৯ হাজার ৩৪৯ এবং আনসার ও ভিডিপির ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এর বাইরে ১ হাজার ৯২২ জন বিএনসিসি ক্যাডেট এবং ৪৫ হাজার ৮২০ জন গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার ও দফাদার) দায়িত্ব পালন করবেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে থাকবেন।

সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ গতকাল সাংবাদিকদের বলেন, সেনাবাহিনী আগেই নামানো হয়েছে, আজ থেকে আরও সেনা সদস্য যুক্ত হচ্ছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের আগে ও পরে মিলিয়ে মোট সাত দিন তারা মাঠে থাকবেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। ইসির কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে এবং নিজস্ব সিকিউরিটি অ্যাপের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে।

সুষ্ঠু ও নিরবচ্ছিন্ন ভোটের পরিবেশ নিশ্চিতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন এই নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, ‘ব্যালট বাক্স ইতিমধ্যে জেলায় জেলায় পৌঁছে গেছে এবং রিটার্নিং কর্মকর্তারা তা গ্রহণ করছেন। সবাই এখন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত। আমরা প্রস্তুত, প্রচার শেষে ভোটাররাও উৎসবমুখর নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। কমিশন মনে করে, ভোটের পরিবেশ সম্পূর্ণ অনুকূলে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন