You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ভোট আল্লাহপাকের আমানত

ভোট দেশের প্রতিটি নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে আমাদের ওপর এই ভোট বিশেষ এক আমানত স্বরূপ। তাই এ পবিত্র আমানতের হেফাজত করা প্রত্যেকের জন্য আল্লাহপাকের পক্ষ থেকে আবশ্যকীয় দায়িত্ব।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহপাক ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের আমানতসমূহ এর যোগ্য ব্যক্তিদের ওপর ন্যস্ত করার আদেশ দিচ্ছেন। আর তোমরা যখন শাসন কাজ পরিচালনা কর, তোমরা মানুষের মাঝে ন্যায়পরায়ণতার সাথে শাসন করবে। নিশ্চয় আল্লাহর উপদেশ কতই চমৎকার’ (সুরা আন নেসা, আয়াত: ৫৮)।

শাসন ক্ষমতা বা কর্তৃত্বকে এই আয়াতে জনগণের আমানত বলা হয়েছে। আর এই আমানতের অধিকর্তা হলো জনগণ, কোনো ব্যক্তি, বাদশা বা বংশ বিশেষ নয়।

পবিত্র কুরআন কোনো নির্দিষ্ট বংশের মাধ্যমে দেশ শাসন বা বংশানুক্রমিক শাসন ক্ষমতা প্রয়োগ সমর্থন করে না বরং এর বিপরীত জনগণের প্রতিনিধি দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনাকেই অনুমোদন করে।

রাষ্ট্রের প্রধান হবেন নির্বাচিত ব্যক্তি আর সেই পদে নির্বাচনের জন্য সর্বাপেক্ষা উত্তম ব্যক্তিকে ভোট দানের নির্দেশ ইসলামে দেওয়া হয়েছে। তবে ইসলাম পদের আকাঙ্ক্ষা করতে নিষেধ করেছে।

যেভাবে মহানবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজরত আবু সাঈদ আবদুর রহমান ইবনে সামুরা (রা.)-কে বলেছিলেন, ‘হে আবদুর রহমান ইবনে সামুরা! নেতৃত্ব প্রার্থী হয়ো না। কারণ প্রার্থী না হয়ে নেতৃত্ব প্রাপ্ত হলে তুমি এ ব্যাপারে সাহায্যপ্রাপ্ত হবে। পক্ষান্তরে প্রার্থী হয়ে নেতৃত্ব লাভ করলে তোমার ওপরই যাবতীয় দায়িত্বের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হবে। তুমি কোনো বিষয় শপথ করার পর তার বিপরীতে কল্যাণ লক্ষ্য করলে তখন যেটা ভালো সেটাই করবে এবং শপথের কাফফারা আদায় করবে’ (বুখারি ও মুসলিম)।

ওপরে বর্ণিত কুরআনের আয়াত ও হাদিসে ইসলামি রাষ্ট্রের প্রধানগণকে এবং শাসন কার্যে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই নির্দেশই দেওয়া হয়েছে, তারা যেন অত্যন্ত ন্যায়পরায়ণতা, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার সাথে নিজেদের কর্তৃত্বের সদ্‌ব্যবহার করেন।

দেশকে সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য সর্বাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে নির্বাচন করা খুব প্রয়োজন।

ভোট যেহেতু আমানত এর জন্য ভোটারদের দৃষ্টিতে যে ব্যক্তি সর্বোত্তম তার পক্ষে ভোট দেওয়ার শিক্ষাই ইসলাম প্রদান করে। সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে ভোট দেওয়া যেমন, অধিক পুণ্যের কাজ, তেমনি অসৎ, অনুপযুক্ত, দুষ্কৃতকারী কোনো ব্যক্তিকে ভোট দেওয়াও শক্ত গুনাহের কাজ।

পবিত্র কুরআনে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়াকে যেমন হারাম জ্ঞান করা হয়েছে, তেমনি সত্য সাক্ষ্য দেওয়াকে ওয়াজিব করেছে। ভোট একটা সত্য সাক্ষ্য। আর এ সত্য সাক্ষ্যকে গোপন করা সম্পূর্ণরূপে হারাম।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন