জামায়াতের ইশতেহারে ২৬ অগ্রাধিকার, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:০১

নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতিতে ২৬ বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী; যাতে মন্ত্রিসভায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারীদের রাখা এবং রাজনৈতিক দলকে সরকারের তরফে বার্ষিক বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।


বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে এ ইশতেহার তুলে ধরেন দলের আমির শফিকুর রহমান। ৪১ দফার এ ইশতেহারে ক্ষমতায় গেলে দেশ পরিচালনায় তাদের পরিকল্পনার কথা সবিস্তারে তুলে ধরা হয়েছে।


ভোটে ১১ দলীয় জোট হয়ে অংশ নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী।


ইশতেহারে ১০টি বিষয়ে দলটি কী করবে আর কী করবে সে বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে সরকার পরিচালনায় ২৬টি বিষয়কে অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরে ‘একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশের’ ইশতেহার ঘোষণা করেন জামায়াতের আমির।


ইশতেহার ঘোষণার আগে ও পরে আগামীর বাংলাদেশ পরিচালনায় দলটির অঙ্গীকার তুলে ধরে দুটি ভিডিও উপস্থাপনা দেওয়া হয়। এতে নির্বাচনে জয়ী হলে দলটির লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও অঙ্গীকারসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়।


ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোষণা করা দীর্ঘ ইশতেহারকে আটটি অধ্যায়ে ভাগ করে ৪১টি দফায় উপস্থাপন করে জামায়াত। সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দলটি কী কী করবে প্রতিটি দফায় অন্তত ৬ থেকে ১০টি পয়েন্টে সেগুলো তুলে ধরেছে। আর অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে ২৬টি বিষয়ে।


নির্বাচনি প্রচারের মধ্যে জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ‘নারী বিদ্বেষী’ পোস্ট সামনে আসা এবং নারীদের দলের প্রধান করার সুযোগ নেই বলে দলের প্রধানের বক্তব্য নিয়ে সমালোচনার মধ্যে ইশতেহারে বেশি সংখ্যক নারীকে মন্ত্রিসভায় রাখার কথা বলেছে দলটি।


ইশতেহারের শাসনব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার শীর্ষক অংশে বলা হয় “নারীদের মধ্য থেকে মন্ত্রিসভায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রতিনিধি অন্তর্ভূক্ত করা হবে”।


ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে একজন নারীকেও মনোনয়ন দেয়নি জামায়াত।নারী, শিশু ও পরিবারের উন্নয়নের জন্য প্রতিশ্রুতিতে দলটি বলেছে, পরিবার কাউন্সেলিং ও মোটিভেশন সেন্টার চালু করা, নিরাপদ বিদ্যালয় কর্মসূচি ও মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অনুদান ও সেবার পরিসর বাড়ানো।


‘রাজনৈতিক আমূল পরিবর্তনের’ প্রতিশ্রুতিতে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য একটি নতুন রাজনৈতিক অর্থনীতি গড়ে তোলার অংশ হিসেবে আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে (আসন ও ভোটের সংখ্যানুপাতে) রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে বার্ষিক বরাদ্দ দেওয়া হবে।


নির্বাচনে জিতলে কার্যকর জাতীয় সংসদ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেছে জামায়াত। দলটি বলছে, তাদের ভিশন হবে সংসদকে দেশ গঠন, রাজনৈতিক সমঝোতা এবং জবাবদিহির কেন্দ্রে পরিণত করা।

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও