প্রত্যন্ত গ্রামেও ভোট নিয়ে আগ্রহ

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:১৪

জয়মনিরঘোল এমন একটি জনপদ, যার পশ্চিমে পশুর নদ আর দক্ষিণ-পূর্বে শ্যালা নদী। নদ–নদী পার হলে আর কোনো বসতি নেই। প্রায় তিন দিকে সুন্দরবন। আরও দক্ষিণে গেলে বঙ্গোপসাগর। যেন পাখির ঠোঁটের মতো এক চিলতে জনপথ। এ জন্য এর অন্য নাম জয়মনির ঠোঁটা। এরপর বাংলাদেশের আর কোনো বসতি নেই।


বঙ্গোপসাগর উপকূলে সুন্দরবনঘেরা এই গ্রামের শেষ মাথায় ছোট একটি চায়ের দোকান চালান মঞ্জু বেগম। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের দিকে তাঁর দোকানে গিয়ে তেমন কোনো ক্রেতার দেখা পেলাম না। স্মার্টফোনে মনোযোগ দিয়ে কী যেন দেখছিলেন মঞ্জু বেগম। কী দেখছেন জানতে চাইলে লাজুক হাসি দিয়ে বললেন, ‘টিকটক, রিলস দেখছি।’ কিসের টিকটক, রিলস? বললেন, ভোটের।


নির্বাচন সম্পর্কে জানতে চাইলে মঞ্জু বেগম বলেন, ‘এটি রাজার নির্বাচন। ভোট আমি দেব। অন্যরাও ভোট দেবে বলে আলাপ-আলোচনা করছে।’ গণভোট সম্পর্কে জানতে চাইলে মঞ্জু বেগম তেমন কিছু জানেন না বলে জানান।


জয়মনিরঘোল গ্রামটি পড়েছে বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নে। এটি বাগেরহাট-৩ (মোংলা ও রামপাল) আসনে পড়েছে। পাঁচজন প্রার্থী লড়ছেন এ আসনে। রামপাল ও মোংলা দুই উপজেলাতেই বিএনপির প্রার্থী শেখ ফরিদুল ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল ওয়াদুদ সেখের ব্যানার-পোস্টার, নির্বাচনী ক্যাম্প চোখে পড়েছে। স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে আলোচনা—দুই প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। কারণ, দুই প্রার্থীই তাঁদের কাছে সজ্জন।


তবে বিএনপির বাগেরহাট সদরের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম বাগেরহাট-৩সহ তিনটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তাঁর প্রভাব সদরে যতটা, ততটা মোংলা-রামপালে দেখা যায়নি। তারপরও তিনি কিছু ভোট কাটবেন বলে স্থানীয়দের ধারণা। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী শেখ জিল্লুর রহমানেরও পক্ষেও মাইকে প্রচার শোনা গেছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও