নতুন দল এনসিপির ইশতেহারে ট্রুথ কমিশনসহ আর কী আছে নতুন

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪২

জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য থেকে গড়ে ওঠা নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ভোটের মাঠে নেমে তাদের ইশতেহার ঘোষণা করেছে। সেখানে আওয়ামী লীগের (এখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ) শাসনামলে সংঘটিত সব মানবতাবিরোধী অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিতের পাশাপাশি ‘পোস্ট-নাজি জার্মানি ও পোস্ট-অ্যাপার্থাইড দক্ষিণ আফ্রিকার মডেলে’ ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন’ কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা রয়েছে।


দলটি বলেছে, এই কমিশনের মাধ্যমে প্রশাসন, বাহিনী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আওয়ামী লীগ-সমর্থক এবং দলটির সহযোগীদের মধ্যে যাঁরা ফৌজদারি অপরাধে যুক্ত নন, তাঁদের অপরাধ ও সম্পৃক্ততা স্বীকার এবং ক্ষমাপ্রার্থনা সাপেক্ষে ‘সোশ্যাল জাস্টিসের’ মাধ্যমে সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনা হবে।


ট্রুথ কমিশনের বিষয়টি বাংলাদেশে নতুন নয়। ২০০৭ সালে এক-এগারোর পর গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারও এমন একটি কমিশন গঠন করেছিল, যার নাম ছিল ‘সত্য ও জবাবদিহিতা কমিশন’। দুর্নীতিবাজদের অপরাধ স্বীকার করে দায়মুক্তির সেই সুযোগ খুব একটা কাজে আসেনি। ওই কমিশন গঠনও পরে অবৈধ ঘোষিত হয়েছিল হাইকোর্টের রায়ে।


এরপর ক্ষমতায় যাওয়া আওয়ামী লীগের টানা দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে। এই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণেরাই ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে গড়ে তোলেন এনসিপি। তাঁরা জামায়াতে ইসলামীসহ ১০টি দলের সঙ্গে জোট গড়ে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, যার ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।


আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ, দলটির নেতাদের বিচার এবং রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি বিদ্যমান সংবিধানকে ফ্যাসিবাদী আখ্যায়িত করে তা বাতিলের দাবিতে শুরু থেকে সরব এনসিপি। আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা এসেছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারও এগোচ্ছে, সংবিধান সংস্কারে গণভোটও হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও