সিলিন্ডার গ্যাসের সংকট শিগগির কাটছে না

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫১

রান্নার জ্বালানি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সংকট শিগগিরই কাটছে না। পবিত্র রমজান মাস শুরুর আগে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এলপিজি আমদানি করতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। উল্টো আমদানি কমেছে। এক মাসের ব্যবধানে কমার পরিমাণ ২১ হাজার টন।


বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) তথ্য বলছে, গত ডিসেম্বরে এলপিজি আমদানি হয়েছিল ১ লাখ ২৬ হাজার টন। সরবরাহ স্বাভাবিক করতে জানুয়ারিতে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ টন এলপিজি আমদানির কথা ছিল। আমদানি হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার টন। ফেব্রুয়ারিতে আমদানি কিছুটা বাড়তে পারে। আমদানিকারকেরা বলছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক হতে মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।


খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আমদানি বাড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে ঋণপত্র বা এলসি খোলা সহজ করাসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হয়েছে। চাহিদামতো আমদানির অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। বাড়তি জাহাজভাড়া আমলে নিয়ে মূল্য সমন্বয় করেছে বিইআরসি। কিন্তু সব কোম্পানি আমদানি করতে পারেনি। কেউ কেউ ঋণপত্র খুলতে পারেনি। বড় কোম্পানি বাড়তি দামে আমদানি করতে চাইলেও বৈশ্বিক খোলাবাজার থেকে এলপিজি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে অস্থিরতা চলছে। তাই বিকল্প বাজার খোঁজা হচ্ছে।


দেশের অন্যতম শীর্ষ এলপিজি আমদানিকারক কোম্পানি মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজেআই) ফ্রেশ এলপি গ্যাসের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা আবু সাঈদ রাজা প্রথম আলোকে বলেন, বিশ্ববাজারে বাড়তি দাম থাকলেও আমদানি করছে ফ্রেশ। মার্চের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও