You have reached your daily news limit

Please log in to continue


‘আমার কী অপরাধ? ’

ঘরের ভিটার একপাশে স্তূপ করে রাখা পোড়া টিন, স্টিলের আলমারি। গাছের পুড়ে যাওয়া পাতাগুলোতেও ফেরেনি প্রাণ। সেগুলো দেখিয়ে ডুকরে ডুকরে কেঁদে উঠছেন আরতি শীল।

মাস পেরুলেও পঞ্চাশোর্ধ্ব এই নারী ভুলতে পারছেন না তার ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া সেই রাতের ঘটনা। সেই কথা মনে করে বুক চাপড়ে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, “আরা বছর দুক্কে দুক্কে দিন কাডায়। কী আঁর অপরাদ? কিয়া ন আয়ের আঁর সুখ? (সারা বছর দুঃখে দুঃখে দিন গেল। কী আমার অপরাধ? কেন আসছে না আমার সুখ?)“

গত ২৩ ডিসেম্বর ভোর রাতে রাউজানের সুলতানপুর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আরতি শীল ও সুলাল শীল ওরফে সুখ শীল দম্পতির বাড়িতে দরজা আটকে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। আগুনে পুড়ে যায় বাড়ির সবকিছু। ঘরের বেড়া কেটে বের হয়ে আসতে পারায় বেঁচে যান বাড়িতে থাকা লোকজন।

রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় ওই সময় আরও বেশ কয়েকটি ঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। যেগুলোর প্রত্যেকটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়ি।

রাউজান-রাঙামাটি সড়কের কুণ্ডেশ্বরী থেকে উত্তরপাশে সুলতানপুর ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ক্ষতিগ্রস্ত সুখ শীলের বাড়ি। মূল সড়ক থেকে মাটির পথ ধরে অল্পকিছু দূরে এ বাড়ির অবস্থান। টিন ও বাঁশের বেড়ার তৈরি এ ঘরের পাশে বিস্তীর্ণ বিল। আশেপাশে কোনো ঘর নেই। সড়কের অপর পাশে একটি পাকা দোতলা বাড়ি।

রোববার সেই বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল চার কক্ষের বাড়িটির পূর্ব দিকে মূল দরজা। আগুনে ঘরের দরজার সামনে বড় শিশু গাছ, উত্তর পাশে কাঁঠাল গাছ পুড়ে গেছে। এখনও গাছগুলোতে রয়ে গেছে পোড়ার ক্ষত।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন