নির্বাচনে মাত্র ৭৮ নারী প্রার্থী, এক-তৃতীয়াংশই পারিবারিক সূত্রে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৭৮ জন নারী প্রার্থী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের ইতিহাসে এটি এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ সংখ্যা। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিসংখ্যানই আসলে দেখিয়ে দেয়, রাজনীতিতে লিঙ্গসমতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ এখনো কতটা পিছিয়ে রয়েছে।
আরও উদ্বেগজনক হলো, এই ৭৮ জন নারীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশই স্বতন্ত্র রাজনৈতিক চরিত্র নন। তারা প্রভাবশালী কোনো পুরুষ রাজনীতিকের স্ত্রী, কন্যা কিংবা পরিবারের সদস্য। দলীয় নেতৃত্ব ও ক্ষমতাকেন্দ্রের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্কের সূত্রেই তাদের রাজনৈতিক উত্থান।
এই নারী প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মাত্র ৬৭টি সংসদীয় আসনে। ফলে দেশের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে সরাসরি নির্বাচিত নারী প্রতিনিধিত্বের কোনো সুযোগই নেই।
দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী হলেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মোট ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থীর মধ্যে নারীর অংশ মাত্র ৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই প্রতিনিধিত্ব অনেকটাই প্রতীকী এবং প্রধানত বংশানুক্রমিক।
৭৮ জন নারী প্রার্থীর মধ্যে ৩০টি রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন পেয়েছেন ৬১ জন। বাকি ১৭ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।