You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সাভারের ট্যানারি বর্জ্য কেড়ে নিচ্ছে ধলেশ্বরীর প্রাণ

‘নদীর পাড়ে ময়লা। চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছোট ছোট চামড়া। মানুষ নদীতে নামতে পারে না। নদীর মাছও খাওয়া যায় না। ছোটবেলায় এই নদীতে গোসল করতাম। অথচ এখন কেউ নদীতে নামেও না। নামবে তো দূরের কথা, নদীর পাড়েও আসে না!’

সম্প্রতি পড়ন্ত এক বিকেলে রাজধানীর অদূরে সাভারের চামড়া শিল্প নগরীতে (ট্যানারি) ধলেশ্বরী নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে কথাগুলো জাগো নিউজকে বলছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম।

ট্যানারির ৩ নম্বর গেট এলাকার ঝাউচরের এই বাসিন্দার মতোই ট্যানারি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবেশ কর্মী, ট্যানারি মালিক ও সংশ্লিষ্টদের কণ্ঠে আক্ষেপের সুর।

পরিবেশ কর্মীরা বলছেন, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় এই ট্যানারি পানি, মাটি ও বাতাস- সবই দূষিত করছে। পানির গুণগত মান নষ্ট হওয়ায় কমছে মাছ। এই দূষণ প্রভাব ফেলছে প্রাণ-প্রকৃতিতে। নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্যও। এই দূষণের কথা অস্বীকার করছে না ট্যানারির দেখভালের দায়িত্বে থাকা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও।

ঢাকার হাজারীবাগের স্বাস্থ্যঝুঁকি, বুড়িগঙ্গার দূষণ রোধ ও চামড়া শিল্পের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০০৩ সালে ‘বিসিক চামড়া শিল্পনগরী, ঢাকা’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করে সরকার। সাভারের হেমায়েতপুরের হরিণধরায় ধলেশ্বরী নদীর তীরে প্রায় ২০০ একর জমিতে এই ট্যানারি গড়ে তোলা হয়। ২০১৭ সালে হাজারীবাগ থেকে ট্যানারিগুলো স্থানান্তর করে সাভারে নেওয়া হয়। আর ২০২১ সালে প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ১৬২টি ট্যানারিকে সেখানে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন