স্প্যাম মেসেজের উত্তর দিলে কী হয়?
বর্তমানে আমাদের ডিজিটাল জীবনে স্মার্টফোন অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়ালেও এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে স্প্যাম মেসেজের উপদ্রব। অনেক সময় মানুষ না বুঝে অপরিচিত নম্বর থেকে আসা মেসেজের উত্তর দেন। এ রিপ্লাই কারো ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও প্রাইভেসিকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
প্রযুক্তি সাইট স্ল্যাশগিয়ার লিখেছে, বর্তমানে স্প্যামের ভারে নুয়ে পড়ছে স্মার্টফোন, ইমেইলের ইনবক্স ও সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন মেসেজ বক্স। মানুষকে ফাঁদে ফেলার জন্য প্রতিনিয়ত আরও উন্নত ও চতুর কৌশল তৈরি করছে প্রতারকরা। যার মধ্যে টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে প্রতারণা অন্যতম।
মার্কিন ‘ফেডারেল ট্রেড কমিশন’ বা এফটিসি বলেছে, ২০২৪ সালের সবচেয়ে সাধারণ কিছু মেসেজ স্ক্যাম ছিল ভুয়া চাকরির অফার ও পার্সেল ডেলিভারি সংক্রান্ত মিথ্যা নোটিশ। এগুলো তাও কিছুটা চেনা যায়। তবে এর চেয়েও ভয়ঙ্কর ও সুক্ষ্ম কৌশল হচ্ছে ‘ভুয়া নম্বর’ সাজিয়ে কথা বলা শুরু করা।
‘ইউনাইটেড স্টেটস সিনেট ফেডারেল ক্রেডিট ইউনিয়ন’ বলেছে, সাধারণ একটি ‘হাই, কেমন আছেন?’ টেক্সট মেসেজের ফলাফল হতে পারে সুদূরপ্রসারী ও দীর্ঘস্থায়ী। বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ আলাপের শুরু মনে হলেও অপরিচিত নম্বর থেকে আসা এ ধরনের মেসেজ অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।
এসব মেসেজের সবচেয়ে ধূর্ত দিক হচ্ছে এগুলোকে খুব সাধারণ কোনো ‘ভুল নম্বরে আসা মেসেজ’ বলে মনে হয় এবং অনেক সময় এমনটি সত্যিও হতে পারে। তবে কেউ যদি একজন স্প্যামারের কবলে পড়েন তবে উত্তর দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সে বুঝে যাবে যে এ ফোন নম্বরটি সচল বা ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ট্যাগ:
- প্রযুক্তি
- স্প্যাম
- মেসেজ
- নিরাপত্তা ঝুঁকি