ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হওয়ার পথে বাধা কোথায়

প্রথম আলো মোহাম্মদ নূরুজ্জামান প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯:১৩

বাংলাদেশ আজ এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে একটি মৌলিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে—আমরা কি আমাদের বিপুল যুবসমাজকে কেবল কর্মসংস্থানের অপেক্ষায় থাকা একটি জনগোষ্ঠী হিসেবে দেখব, নাকি পরিকল্পিত বিনিয়োগের মাধ্যমে তাদের জাতীয় সম্পদে রূপান্তর করব। দক্ষতা উন্নয়ন, দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থান, রেমিট্যান্স, বিদেশফেরত কর্মীদের পুনঃসংযুক্তি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) উন্নয়ন এবং সার্কুলার ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট—এই বিষয়গুলো আলাদা আলাদা নয়। বরং এগুলো একে অন্যের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত। ২০২৬ থেকে ২০৩০—এই পাঁচ বছর বাংলাদেশের জন্য কেবল একটি সময়কাল নয়, এটি একটি নির্ধারক পর্ব।


জনসংখ্যা সমস্যা নয়, সমস্যা পরিকল্পনার


বাংলাদেশের যুব জনসংখ্যা ছয় কোটির কাছাকাছি। বহু বছর ধরে এ সংখ্যাকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও বাস্তবে সেই ডিভিডেন্ড পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়নি। কারণ, জনসংখ্যা নিজে কখনো সম্পদ হয়ে ওঠে না—পরিকল্পনা ছাড়া জনসংখ্যা বরং অর্থনীতির ওপর চাপ হয়ে দাঁড়ায়। আজকের বাস্তবতা হলো, একদিকে শিক্ষিত বেকারত্ব বাড়ছে, অন্যদিকে দেশীয় শিল্প, সেবা খাত ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তির তীব্র ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এই বৈপরীত্যই স্পষ্ট করে যে সমস্যার মূল জনসংখ্যায় নয়, বরং দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে কাঠামোগত সংযোগহীনতায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও