You have reached your daily news limit

Please log in to continue


‘ইসলামি ন্যাটো’ কেন ইসরায়েলের রক্ষক হয়ে উঠল

প্রতিটি সাম্রাজ্যই একটি কৌশলকে নিখুঁত করতে চায়। তারা ভুক্তভোগীদের বোঝায় যে অংশগ্রহণ মানেই প্রভাব, আর আনুগত্যই নাকি পরিণত আচরণ। এই কৌশলের সাম্প্রতিক রূপ হলো তথাকথিত ইসলামি ন্যাটো। এটি একধরনের সুন্নি জোট, যার মূল লক্ষ্য পশ্চিমা শক্তিগুলোকে আশ্বস্ত করা যে মুসলিম ক্ষোভকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে, অন্যের হাতে তুলে দেওয়া যাবে এবং নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করা যাবে।

এই জোট আসলে ঝুঁকিহীন ঐক্য, কোনো মূল্য না দেওয়া প্রতিরোধ এবং উদ্ধৃতি চিহ্নের ভেতরে বন্দী সার্বভৌমত্বের প্রতীক। ভ্রান্তি দূর করা দরকার। যদি এই জোট সত্যিই কার্যকর হতো, তাহলে গাজা আজ এমন অবস্থায় থাকত না।

গাজায় ইসরায়েলের ধ্বংসযজ্ঞ কোনো গোপন ঘটনা ছিল না। তা টেলিভিশনে দেখানো হয়েছে, সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছে, বিস্তারিতভাবে নথিবদ্ধ হয়েছে। এখানে ভয়াবহতাকে রুটিনে পরিণত করা হয়েছে প্রশাসনিক দক্ষতায়। হাসপাতাল ধ্বংস করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মুছে ফেলা হয়েছে। অনাহারকে পরিকল্পিতভাবে অস্ত্র বানানো হয়েছে। শিশুদের হত্যা করা হয়েছে, যেন শিল্পকারখানার উৎপাদনপ্রক্রিয়া।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন