ইরানের জমিনে সিআইএর যত ‘আদি পাপ’

প্রথম আলো জাসিম আল-আজ্জাবি প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:০০

ইরানের গ্রীষ্ম মানেই ভারী আর্দ্রতা আর দম বন্ধ করা গরম পরিবেশ। কিন্তু ১৯৫৩ সালের আগস্টে তেহরানের বাতাসে শুধু তাপ আর আর্দ্রতা ছিল না, ছিল আরও ভয়ংকর কিছু। ছিল সাজানো বিপ্লবের বাতাস।


তখন তেহরানে মার্কিন দূতাবাসের ছায়ায় বসে ছিলেন কারমিট রুজভেল্ট। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টের বংশধর এই ব্যক্তি সঙ্গে এনেছিলেন প্রায় ১০ লাখ ডলার সমমূল্যের নগদ অর্থ। এই অর্থ দিয়েই বাস্তবায়ন হয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বড় হস্তক্ষেপ। ইতিহাসে যা আজ ‘দ্য অরিজিনাল সিন’ বা ‘আদি পাপ’ হিসেবে পরিচিত।


এই ইতিহাস এখন আর কেবল অতীতের আলাপ নয়, বরং এটি এক নকশা। ২০২৬ সালের অস্থির ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় সেই নকশাই আবার সামনে এসেছে। ইরানে চলমান অস্থিরতায় সিআইএ, এমআই সিক্স এবং মোসাদের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠছে। এর মধ্যেই সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের বিক্ষোভকারীদের পাশে থাকা মোসাদ সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এতে বোঝা যায় সেই আদি পাপ আবার নতুন রূপে ফিরে এসেছে। এবার বিষয়টি শুধু তেলের চুক্তি নয়। এবার প্রশ্নটি বৈশ্বিক জ্বালানি ভারসাম্য।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও