টানা আট ঘণ্টা ঘুমাতে পারলে যা হয়

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:১৮

ঘুম শুধু ক্লান্তি দূর করার জন্য নয়, এটি শরীর ও মনেরও পুনর্গঠন প্রক্রিয়া। অনিয়মিত সময়সূচি, অতিরিক্ত কাজের চাপ ও প্রযুক্তিনির্ভরতা ঘুমকে অনেকের কাছেই বিলাসিতার অবস্থায় নিয়ে গেছে।


তবে সুস্থ থাকতে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম অন্যতম শর্ত।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন প্রতিদিন গড়ে আট ঘণ্টা ঘুম শরীর ও মনের জন্য আদর্শ হলেও, সবার ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য নাও হতে পারে।


তবুও নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস জীবনমানে বড় ধরনের পরিবর্তন আনে।


আট ঘণ্টা ঘুম যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ


ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ঘুম বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসক ড. অনুপমজিত সেখন রিয়েলসিম্পল ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলেন, “অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ঘুমের প্রয়োজন সাত থেকে নয় ঘণ্টার মধ্যে। এই সীমার মাঝামাঝি হওয়াতে আট ঘণ্টাকে আদর্শ ধরা হয়।”


এই সময়ের মধ্যে শরীর ও মস্তিষ্ক দিনের জমে থাকা ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলার সুযোগ পায়। নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম হলে সকালে ঘুম ভাঙার পর নিজেকে বেশি সতেজ ও কর্মক্ষম অনুভব করা যায়।


এছাড়া এমন ঘুমের ভালো দিক হল- এটি দিনের বেলা অতিরিক্ত চা বা কফির ওপর নির্ভরতাও কমিয়ে দিতে পারে।


সবার ঘুমের প্রয়োজন কি এক রকম?


টেক্সাসের ক্লিনিক্যাল মনোবিজ্ঞানী, ঘুম বিশেষজ্ঞ লিজ রস একই প্রতিবেদনে বলেন, “বয়স, বংশগত বৈশিষ্ট্য, শারীরিক অবস্থা, মানসিক চাপ ও দেহঘড়ির ছন্দের ওপর নির্ভর করে একেকজনের ঘুমের প্রয়োজন ভিন্ন হতে পারে।”


কেউ কেউ স্বাভাবিকভাবেই কম ঘুমিয়েও চনমনে থাকতে পারেন। আবার কারও কারও শরীর নয় ঘণ্টা বা তার বেশি ঘুম না হলে পুরোপুরি সতেজ হয় না।


শিশু, কিশোর, অসুস্থতা থেকে সেরে ওঠা মানুষ বা দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা ব্যক্তিদের ঘুমের প্রয়োজন তুলনামূলক বেশি হতে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও