কারাগারে দুই খুনির প্রেম, বিয়ে করতে পাচ্ছেন প্যারোলে মুক্তি

প্রথম আলো ভারত প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ২৩:০৯

খুনের দায়ে কারাগারে সাজা খাটতে গিয়ে দুজনের জানাশোনা, তারপর শুরু হয় প্রেম। এতটুকুতেই শেষ নয়। রীতিমতো বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা। বিয়ে সারতে কারাগার থেকে সাময়িক সময়ের জন্য মুক্তিও পাচ্ছেন এ যুগল।


শুনতে চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যের মতো মনে হলেও ভারতের রাজস্থান রাজ্যের আলওয়ারে ঘটেছে এমন ঘটনা।


প্রিয়া শেঠ (আরেক নাম নেহা শেঠ) নামের এক নারী এবং তাঁর হবু বর হনুমান প্রসাদ বিয়ের জন্য রাজস্থানের হাইকোর্ট থেকে ১৫ দিনের জরুরি প্যারোল পেয়েছেন। আজ শুক্রবার আলওয়ারের বারোদামেভে তাঁদের গাঁটছড়া বাঁধার কথা।


প্রিয়া যেভাবে খুনে জড়ান


প্রিয়া শেঠ পেশায় মডেল ছিলেন। দুশ্যন্ত শর্মা নামের এক তরুণকে খুনের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে তাঁর। সাঙ্গানের ওপেন জেল নামে এক উন্মুক্ত কারাগারে সাজা ভোগ করছেন প্রিয়া। এ কারাগারটি প্রচলিত কারাগারের তুলনায় খোলামেলা এবং বন্দীরা তুলনামূলকভাবে বেশি স্বাধীনতা পেয়ে থাকেন। ছয় মাস আগে একই কারাগারে প্রসাদের সঙ্গে প্রিয়ার পরিচয় হয় এবং তাঁরা প্রেমে পড়েন।


যে খুনের মামলায় প্রিয়া শেঠ দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, তা ২০১৮ সালের ঘটনা। ওই বছরের ২ মে প্রিয়া শেঠ তাঁর প্রেমিক দীক্ষান্ত কামরা এবং অপর এক ব্যক্তির সঙ্গে মিলে দুশ্যন্তকে হত্যা করেন। দুশ্যন্তের সঙ্গে তাঁর ডেটিং অ্যাপে পরিচয় হয়েছিল।


পাঁচ হত্যাকাণ্ডের পেছনে হনুমান প্রসাদ


হনুমান প্রসাদ তাঁর প্রেমিকার স্বামী ও সন্তানদের হত্যার দায়ে দণ্ডিত হয়েছেন। আলওয়ারের তায়কোয়ান্দো খেলোয়াড় সন্তোষ ছিলেন তাঁর প্রেমিকা। ২০১৭ সালের ২ অক্টোবর রাতে সন্তোষ তাঁর স্বামীকে হত্যা করতে হনুমানকে তাঁর বাড়িতে ডেকেছিলেন। হনুমান একজন সহযোগীকে নিয়ে সেখানে পৌঁছান। পশু জবাইয়ের জন্য ব্যবহৃত ছুরি দিয়ে সন্তোষের স্বামী বনওয়ারী লালকে খুন করেন তিনি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে