গ্যাসলাইটিং: ভালোবাসার ছদ্ম বেশে এক অদৃশ্য বিষ

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ২২:৫৬

‘আমার হিয়া আমায় খ্যাপিয়ে বেড়ায় যে’, রবীন্দ্রনাথের এই গানের কলি অনেক সময় আমাদের জীবনের রূঢ় সত্য হয়ে দাঁড়ায়। তবে এখানে হৃদয় নিজে খ্যাপে না; বরং সুকৌশলে তাকে ‘খ্যাপানো’ হয়। যাপিত জীবনে আমাদের মন অনেক সময় আপনজনদের হাতেই ‘খ্যাপা’ বা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। বর্তমানে অনলাইন বা পপ-কালচারে ‘গ্যাসলাইটিং’ শব্দটি খুব সাধারণভাবে ব্যবহৃত হলেও, এটি কেবল সাধারণ মিথ্যাচার বা দোষারোপ নয়। এটি একটি সুনির্দিষ্ট মানসিক নির্যাতন, যা মানুষের নিজের ওপর নিজের বিশ্বাসকে তিলে তিলে ধ্বংস করে দেয়।


গ্যাসলাইটিং আসলে কী?


গ্যাসলাইটিং হলো একধরনের মানসিক কৌশল, যেখানে একজন ব্যক্তি অন্যজনকে এমনভাবে প্রভাবিত করে, যাতে সে নিজের বিচারবুদ্ধি, স্মৃতি এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়ে। ১৯৩৮ সালের একটি নাটক ও ১৯৪৪ সালের বিখ্যাত সিনেমা ‘গ্যাসলাইট’ থেকে এ শব্দের উৎপত্তি। যেখানে একজন স্বামী তার স্ত্রীকে পাগল প্রমাণ করতে ক্রমাগত মিথ্যা বলে এবং পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করে। বর্তমানে এটি ব্যক্তিগত সম্পর্ক থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্র, এমনকি চিকিৎসকের চেম্বারেও দেখা যেতে পারে। বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে যখন কোনো কাছের মানুষ সুকৌশলে আপনার স্মৃতি, উপলব্ধি বা বিচারবুদ্ধি নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করে, মনোবিজ্ঞানের ভাষায় তাকেই বলা হয় ‘গ্যাসলাইটিং’। এটি একটি অত্যন্ত নিষ্ঠুর মানসিক প্রতারণা, যা একজন আত্মবিশ্বাসী মানুষকেও তিলে তিলে নিঃশেষ করে দেয়। গ্যাসলাইটিং মূলত কাজ করে আপনার শ্রদ্ধাবোধ আর বিশ্বাসের ওপর ভর করে। আপনি আপনার সঙ্গী, প্রিয় বন্ধু বা মা-বাবার ওপর আস্থা রাখতে চান বলেই তারা এই সুযোগটি নিতে পারে। অনেক সময় এটি এমনভাবে ছদ্ম বেশে আসে যে, মনে হয় সে আপনার ভালোর জন্যই বলছে। যেমন: আপনার রুমমেট হয়তো বলছে, ‘তোমার বন্ধুরা আসলে তোমাকে পছন্দ করে না, শুধু টাকার জন্যই মেশে।’ আপনার মনে আগে থেকেই থাকা সূক্ষ্ম কোনো সংশয়কে পুঁজি করে সে এক বিষাক্ত জাল বিছিয়ে দেয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও