You have reached your daily news limit

Please log in to continue


পঞ্চান্ন পেরোলেই খাদ্যতালিকায় যে পরিবর্তন জরুরি

পঞ্চান্ন পেরোনোর পর শরীরের ভেতরের অনেক প্রক্রিয়াই ধীরে ধীরে বদলে যেতে শুরু করে।

পেশি গঠনের ক্ষমতা কমে, হাড় ক্ষয়ের হার বাড়ে, শরীরে প্রদাহের প্রবণতা বাড়তে থাকে এবং খাবার থেকে পুষ্টি শোষণের ক্ষমতাও আগের মতো থাকে না।

এই বয়সের পর নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিখুঁত খাবারের চেয়ে ধারাবাহিকভাবে সঠিক খাবার খাওয়া বেশি জরুরি।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কিছু নির্দিষ্ট খাবার রাখলে পেশি, হাড়, হৃদ্‌যন্ত্র ও মস্তিষ্ক সুস্থ রাখা অনেক সহজ হয়।

সবুজ শাকপাতা প্রতিদিন দরকার

পালংশাক, কলমি-শাক, লাউ-শাকের মতো সবুজ পাতাধর্মী সবজি পঞ্চান্নোর্ধ্ব বয়সিদের জন্য উপকারী।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্রীড়া পুষ্টিবিদ তারা কলিংউড ইটদিস নটদ্যাট ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই বিষয়ে বলেন, “এসব শাকে থাকে রক্ত জমাট বাঁধায় সহায়ক উপাদান, ফোলেইট এবং ম্যাগনেসিয়াম, যা হাড়ের শক্তি বজায় রাখতে এবং হৃদযন্ত্রের সুস্থতায় উপকারী।”

নিয়মিত সবুজ শাক খেলে হাড় দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি কমে এবং রক্ত সঞ্চালন ভালো থাকে। প্রতিদিন রান্না করা শাক এক কাপ খাওয়ার চেষ্টা করলে উপকার পাওয়া যায়।

বেরিধর্মী ফল মস্তিষ্ককে সজাগ রাখে

ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি বা রাস্পবেরির মতো বেরিধর্মী ফল শরীরের ভেতরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

বেরির দেশীয় বিকল্প হিসেবে আমলকি, জাম-ধর্মী ফল খাওয়া যায়। তবে যে কোনো বেরি ফল এখন সারা বছর সুপারশপগুলোতে মিলবে।

তারা কলিংউডের ভাষ্য অনুযায়ী, “এসব ফলে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও পলিফেনল মস্তিষ্কের বার্ধক্য ধীর করে। নিয়মিত বেরি খেলে স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকি কমে এবং মানসিক সতেজতা বজায় থাকে।”

প্রতিদিন আধা কাপ থেকে এক কাপ বেরি ফল খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন