বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিলে আইনি পথ দেখবে বিসিবি
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের যেন দিন আর রাত এক হয়ে গেছে! সারা রাত তাঁকে যোগাযোগ করতে হচ্ছে বিভিন্ন টাইম জোনে থাকা ক্রিকেট বোর্ডের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে।
গত বছরের মে মাসে বিসিবি সভাপতি হওয়ার আগে দীর্ঘ সময় আইসিসিতে কর্মরত ছিলেন বুলবুল। বেশির ভাগ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কোনো না কোনো সংযোগ তাঁর আছে। বিসিবি সভাপতি চাইছেন তাঁর সেই সম্পর্ক আর বোঝাপড়া কাজে লাগিয়ে সমমনা পূর্ণ সদস্যদেশগুলোর সমর্থন আদায় করতে। চালিয়ে যাচ্ছেন বিরামহীন ক্রিকেট কূটনীতি।
নিরাপত্তার কারণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলার দাবির প্রতি সমর্থন যত জোরালো হবে, আইসিসি তথা ভারতের পক্ষে ততই কঠিন হবে বাংলাদেশের দাবি উপেক্ষা করা। কিন্তু এত চেষ্টায় কি সফল হতে পারবে বিসিবি? আজকের মধ্যে নাকি সিদ্ধান্ত আসবে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ বিষয়ে। যদিও ডেডলাইনের ব্যাপারে কিছু জানা নেই বলে দাবি বিসিবির।
বাংলাদেশের বিশ্বকাপের অংশগ্রহণ নিয়ে সৃষ্ট সংকট নিয়ে গতকালও কথা বলেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। সচিবালয়ে তিনি নিজেদের অনড় অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছেন, ‘উদাহরণ আছে, পাকিস্তানে ভারত খেলতে যাবে না বলেছে, আইসিসি ভেন্যু বদল করেছে। আমরা অত্যন্ত যৌক্তিক কারণে ভেন্যু পরিবর্তনের কথা বলেছি। আমাদেরকে অযৌক্তিক চাপ প্রয়োগ করে, অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করে ভারতে খেলাতে বাধ্য করা যাবে না।’
আসিফ নজরুল আরও বলেন, ‘আইসিসি যদি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের চাপের কাছে মাথা নত করে আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে অযৌক্তিক কোনো শর্ত চাপিয়ে দেয়, আমরা সেই অযৌক্তিক শর্ত মানব না।’