You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ড্রোন উড়িয়ে করেন চাষাবাদ

বয়স কেবলই একটি সংখ্যা, নতুন কিছু শিখতে বয়স যে কোনো বাধা হয়ে উঠতে পারে না, তার প্রমাণ দিলেন চীনের এক নারী। তাঁর বয়স ৮২ বছর। এই বয়সে তিনি নিজে ড্রোন চালিয়ে ফসলের মাঠে সার দেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি ড্রোন দিয়ে ছবি তুলে বা ভিডিও করে উৎপাদিত ফসল অনলাইনে বিক্রি করেন। অনলাইনে তিনি নিজের দৈনন্দিন কাজের পোস্টও দেন। প্রচুর মানুষ সে ভিডিও দেখে।

চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ‘হার্ডকোর গ্র্যান্ড মা’ নামে পরিচিত। বলছি দাই শুইংয়ের কথা। দাইয়ের জন্ম ১৯৪৩ সালে। তিনি বড় হয়েছেন চীনের আনহুই প্রদেশের তংচেং জেলার সিনদু টাউনের লাওমেই গ্রামে।

তরুণ বয়সে শুইং হিসাবরক্ষকের কাজ করেছেন। ওই সময়ে তাঁর গ্রামে যে অল্প কয়েকজন লেখাপড়া জানতেন, তাঁদের একজন দাই। গ্রামেই পাঁচ সন্তানকে বড় করেছেন এই নারী। পরে তাঁর তিন সন্তান বসবাসের জন্য শহরে চলে গেলেও তিনি বড় ছেলে ও নাতির সঙ্গে গ্রামে থেকে যান। তাঁরা প্রায় ৪০ হেক্টর জমি চাষাবাদ করেন।

শুইং সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এবং বেশ সক্রিয় হলেও বয়স হয়ে যাওয়ায় ছেলে ও নাতি তাঁকে মাঠে ভারী কাজ করতে দিতেন না। ড্রোনের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয় কাকতালীয়ভাবে। একদিন তাঁর নাতি কৃষিকাজে সহায়তার জন্য বড় একটি ড্রোন কিনে আনেন। লোহার কাঠামোতে তৈরি ভারী ড্রোনটি দেখে শুইংয়ের কৌতূহল জাগে। তিনি ৪০ বছর বয়সী নাতিকে তাঁকে ড্রোন চালানো শিখিয়ে দিতে বলেন। নাতি দাদির আবদারে রাজি হন, দ্রুত ড্রোন চালানো শিখে যান শুইং।

প্রচলিত পদ্ধতিতে চাষাবাদের পরিবর্তে ড্রোন ব্যবহারে শুইংয়ের পরিবারে চাষাবাদের গতি বেড়ে যায়। এতে সময় এবং শক্তি উভয়ই বাঁচে।

নাতি ওয়াং তিয়ানতিয়ান দাদির এই কাণ্ডকারখানার ছোট ছোট ভিডিও করে সেগুলো অনলাইনে পোস্ট করা শুরু করেন। অ্যাকাউন্টের নাম দেন ‘ওল্ড ফারমার, গ্রেটফুলি লাভড’।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন