পড়াশোনায় এআই ব্যবহার: করণীয়-বর্জনীয়
একসময় হোমওয়ার্ক মানেই ছিল বইয়ের পাতা উল্টে নোট নেয়া, খাতায় কলম চালানো আর পরীক্ষার আগে নিজের মতো করে প্রশ্ন তৈরি করে অনুশীলন। এখন সেই দৃশ্যে যুক্ত হয়েছে নতুন এক ‘অদৃশ্য সহপাঠী’—চ্যাটজিপিটিসহ অন্যান্য জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) টুল। কয়েক সেকেন্ডেই জটিল প্রশ্নের উত্তর, সারসংক্ষেপ কিংবা ব্যাখ্যা দিতে পারা এ প্রযুক্তি শিক্ষার্থীদের শেখার ধরন বদলে দিচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে এআই কি শেখার প্রক্রিয়ায় সহায়ক, নাকি একাডেমিক সততার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ?
বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে বলছেন, মূল সমস্যা প্রযুক্তিতে নয়, সমস্যা এর ব্যবহারের সীমা নির্ধারণে।
কপি-পেস্ট নয়, নিজস্ব চিন্তাই মূল
চ্যাটবটের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ভাষা। সুগঠিত, যুক্তিসংগত ও পরিপূর্ণ উত্তরের কারণে অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই তৈরি হচ্ছে কপি-পেস্টের প্রলোভন। অথচ শিক্ষাবিদরা বলছেন, এতে শেখার মূল উদ্দেশ্যটাই হারিয়ে যাচ্ছে।