গত বছরের শেষের দিকে ইসরায়েল আফ্রিকার সোমালিল্যান্ডকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর পরপরই সোমালিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে। আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যজুড়েও তীব্র নিন্দা ওঠে।
ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রয়েছে ইয়েমেনের হুতিরাও রয়েছে। সশস্ত্র গোষ্ঠীটির নেতা আবদেল-মালিক আল-হুতি ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তকে একটি ‘শত্রুতামূলক অবস্থান’ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং সতর্ক করেন যে, সোমালিল্যান্ডে ইসরায়েলের যেকোনো উপস্থিতিকে সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করা হবে।
এই মাসের শুরুতে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার সোমালিল্যান্ড সফর করেন। তাঁর ভ্রমণসূচিতে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী বেরবেরাকে অন্তর্ভুক্ত করলে হুতিদের সেই উদ্বেগ আরও জোরালো হয়। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সফরের পর এক বিবৃতিতে জানান, নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়টি তাঁদের আলোচ্যসূচিতে ছিল।