কিশোর সন্তান কি মিথ্যা বলছে

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩:২৬

মা–বাবার সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কখনো কখনো কিশোর সন্তান মিথ্যা বলতে শুরু করে। মা–বাবার জন্য এটি খুবই কষ্টদায়ক। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, কিশোর বয়সে মিথ্যা বলা অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক একটি বিষয়। কিশোর বয়সে ছেলেমেয়েরা নিজেদের আলাদা পরিচয় তৈরি করার চেষ্টা করে। এই পরিবর্তনের সময় সব পরিস্থিতিতে সত্য বলা তার পক্ষে সুবিধাজনক না-ও হতে পারে। অনেক সময় সৎ থাকলে স্বাধীনভাবে নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তাই কিশোর সন্তানকে শুধু ‘মিথ্যা বলা যাবে না’ বলে ধমকালেই হবে না, বুঝতে হবে কেন মিথ্যা বলছে সন্তান, পেছনের কারণটাই কী।


নিচে মিথ্যা বলার পেছনে লুকিয়ে থাকা কিছু কারণ তুলে ধরা হলো—


কারণটা সাধারণত অবাধ্যতা নয়, ভয়


কিশোর বয়সী ছেলেমেয়েরা সাধারণত শাস্তির ভয়ে মিথ্যা বলে। মা-বাবা তাদের সমর্থন করবেন না, এই ভয়েও তারা মিথ্যা বলে থাকে। এই বয়সী ছেলেমেয়েদের আবেগের ওপর নিয়ন্ত্রণ কম থাকে। কোনো কাজের পরিণতি সম্পর্কেও তাদের ধারণা স্পষ্ট নয়। তারা অনেক সময় ভাবে, সংঘাত কিংবা সমালোচনা থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো মিথ্যা বলা। সন্তান মিথ্যা বলছে মানেই সে অবাধ্য, বিষয়টি এমন নয়। মা-বাবাকে বুঝতে হবে যে কিশোর সন্তান এখনো সত্য বলার জন্য নিজেকে মানসিকভাবে নিরাপদ মনে করছে না।


স্বাধীন হয়ে ওঠার একটি লক্ষণ


কিশোর বয়সীদের মিথ্যা বলা অনেক সময় তাদের স্বাধীন হওয়ার চেষ্টারই একটি বহিঃপ্রকাশ। কৈশোর এমন একটি সময়, যখন তারা নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত নিতে চায়। তারা একা থাকতে চায় এবং গোপনীয়তা রক্ষা করতে চায়।
মা–বাবা বিষয়টি বুঝতে পারলে খুব বেশি কড়াকড়ি আরোপ করা থেকে বিরত থাকতে পারেন। কারণ, অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ করলে সন্তান তার স্বাধীনতা ধরে রাখার জন্য মিথ্যার পথ বেছে নিতে পারে।


আত্মপরিচয় নিয়ে দ্বন্দ্ব


অন্যরা তাদের কীভাবে দেখছে, এ নিয়ে কিশোরদের চিন্তার শেষ নেই। অনেক সময় বন্ধুদের সঙ্গে মানিয়ে নিতে বা লজ্জাজনক পরিস্থিতি এড়াতে তারা মিথ্যা বলে।


তারা সাধারণত খুব ছোট ছোট বিষয় নিয়ে মিথ্যা বলে থাকে। যেমন, স্কুলের ফোন নম্বরটা মা-বাবাকে ভুল বলল। কোনো বন্ধুর সঙ্গে আসলে তার সম্পর্ক কতখানি গভীর, মা-বাবাকে সেটা বলল না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করলেও মা-বাবার কাছে স্বীকার করল না। এ রকম আরও অনেক কিছু। কিন্তু এর পেছনের আসল কারণ অনেক সময়ই একটাই—নিজেকে ‘খুব ভালো’ প্রমাণ করার চেষ্টা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও