You have reached your daily news limit

Please log in to continue


শীতের রাতে চুলকানি বাড়ে কেন? জানুন সমাধান

শীত নামলেই অনেকের ত্বকে শুরু হয় এক অদ্ভুত অস্বস্তি। প্রথমে হালকা টানটান ভাব, এরপর চুলকানি, তারপর লালচে দাগ আর খসখসে র‍্যাশ। শুরুতে বিষয়টি তেমন গুরুত্ব না পেলেও ধীরে ধীরে এই শীতকালীন ত্বকের সমস্যা হয়ে উঠতে পারে দৈনন্দিন জীবনের বড় ঝামেলা। বিশেষ করে হাত-পা, পিঠ বা শরীরের খোলা অংশে তৈরি হওয়া শুষ্ক প্যাচগুলো যত অবহেলা করা হয়, ততই যেন তা আরও জেদি হয়ে ওঠে।

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালীন র‍্যাশ হঠাৎ একদিনে দেখা দেয় না। কয়েকদিন ধরে ত্বক একটু বেশি শুকনো লাগে, তারপর শুরু হয় চুলকানি। ধীরে ধীরে ত্বক হয়ে ওঠে খসখসে, সংবেদনশীল ও লালচে। সবচেয়ে বিরক্তিকর দিক হলো এই ধরনের র‍্যাশ সাধারণত নিজে নিজে সেরে যায় না। বরং ভুল যত্ন নিলে সমস্যা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

শীতে ত্বক কেন বেশি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে

শীতের ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা দ্রুত কেড়ে নেয়। পাশাপাশি ঘরের ভেতরে দীর্ঘক্ষণ হিটার বা গরম পরিবেশে থাকার কারণে বাতাস আরও শুষ্ক হয়ে পড়ে। নিয়মিত গরম পানিতে গোসল করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। এতে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে যায় এবং ত্বকের সুরক্ষাবলয় দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলস্বরূপ ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ, সহজেই জ্বালাপোড়ায় আক্রান্ত এবং সামান্য স্পর্শেই অস্বস্তিকর।

রাতে চুলকানি কেন বেশি হয়

অনেকেই লক্ষ্য করেন, দিনের বেলায় যে চুলকানি সহনীয় থাকে, রাতে তা হঠাৎ বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, রাতে শরীরের তাপমাত্রা ও রক্ত সঞ্চালনের ধরন বদলে যায়। এতে ত্বকের স্নায়ুগুলো চুলকানির অনুভূতি বেশি তীব্রভাবে গ্রহণ করে। ফলে সাধারণ শুষ্কতা রাতের বেলায় জ্বালাপোড়া ও অস্বস্তিতে রূপ নেয়, যা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন