আগামী সরকারের কাছে প্রত্যাশা

দেশ রূপান্তর গোবিন্দ শীল প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৮

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের অভ্যুত্থান বাংলাদেশি জনগণের সামনে নানাবিধ সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। কিন্তু একই সঙ্গে তৈরি করেছে বিশাল চ্যালেঞ্জের পাহাড়। এর আগে যেসব মধ্যবর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছিল, তাদের এখনকার মতো কিছু বিষয়ে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়নি। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত তো বলতে গেলে ভিসা প্রদান বন্ধই রেখেছে। বাংলাদেশের মানুষ ভারতে ও থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিতে এবং ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন। সেই সুযোগ এখন কমে গেছে। আরও একটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই তাহলো এই সরকারের কাছে সব পেশা, শ্রেণি ও ধর্মের মানুষের নানাবিধ চাওয়া। কখনো কখনো এই চাওয়া রীতিমতো হুমকিতে পরিণত হয়েছে। দেশের বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান যা কিনা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বড় দুটি সূচক, তা যেন প্রায় থমকে গেছে। এক হিসেবে দেখানো হয়েছে, ২০২৩ সাল থেকে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত অন্তত প্রায় ২০ লাখ মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। ফলে বেকার ও দরিদ্র লোকের সংখ্যা বেড়ে গেছে।


আমাদের মনে রাখতে হবে, একটি উদীয়মান অর্থনীতিতে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নানা কর্মযজ্ঞ চলে। মানুষজন নিজের প্রয়োজনে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত হন, আর তাতেই দেশ এগিয়ে যায়। শুধু দরকার হয় ভালো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আর কিছুটা উদার ব্যাংকিং ব্যবস্থা। এ দুটো অনুমিত শর্ত এখন যেন শতভাগ কাজ করছে না। বর্তমানে দেশে মোট বেকারের সংখ্যা প্রায় ২৬ লাখ ২০ হাজারের মতো। আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা সরকার গঠন করবেন, তাদের অনেক বৈরী পরিবেশ মোকাবিলা করে দেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটাতে হবে। নানাভাবে বিভক্ত এই জাতির জন্য যে ‘মিটমাট’ বা সমঝোতা দরকার, তার যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে বলে উদ্ভূত পরিস্থিতি আমাদের জানাচ্ছে। কিছু সময়ের জন্য ইউরোপের ইতিহাসে ফিরে যাই। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও