You have reached your daily news limit

Please log in to continue


জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ৭৬% প্রার্থী উচ্চশিক্ষিত

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যাওয়া প্রার্থীদের অধিকাংশই উচ্চ শিক্ষিত। এর মধ্যে শতাংশের হারে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির ৯৪ শতাংশ প্রার্থী স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। বিএনপিতে এই হার ৮১ শতাংশের মতো। প্রার্থীদের মধ্যে মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোয়নি বা ‘স্বশিক্ষিত’ ৮ শতাংশের ওপরে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংসদ সদস্যরা উচ্চশিক্ষিত হলেই যে ভালো করবেন—বিষয়টি এমন নয়। বরং তাঁদের মধ্যে দেশ ও মানুষের ভালো করার মানসিকতা এবং সততা থাকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জোবাইদা নাসরীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উচ্চশিক্ষিত হলেই সংসদ সদস্যরা ইতিবাচক পরিবর্তন আনবেন, এমনটি ধরে নেওয়া যায় না। অতীতে যাঁরা দুর্নীতি ও ক্ষমতার চর্চা করেছেন, তাঁদেরও বড় অংশ উচ্চশিক্ষিত ছিলেন। একাডেমিক শিক্ষার চেয়ে ভালো মানুষ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। তাই একাডেমিক সার্টিফিকেট দেখেই কারও যোগ্যতা বিচার করা ঠিক নয়।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে ৩০০ আসনের জন্য মোট ৩ হাজার ৪০৬টি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন আগ্রহীরা। শেষ পর্যন্ত জমা পড়ে ২ হাজার ৫৬৮টি। এর মধ্যে ২ হাজার ৯০ জন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল থেকে প্রার্থী হতে চান। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটে লড়তে চান ৪৭৮ জন। যাচাই-বাছাই শেষে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন