You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ড্রামাটিক ডেকাপিটেশন স্ট্রাইক ও মাদুরোকে তুলে আনা মাস্তানি কেন?

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে দেশ থেকে আটক এবং তুলে আনা হয়েছে। গত ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ঘড়ির কাটায় যখন স্থানীয় সময় রাত ২টা, পুরো রাজধানী কারাকাস তখন গভীর ঘুমে ঠিক তখন ৯টি সামরিক হেলিকপ্টার জনগণের ঘুম ভাঙ্গিয়ে দিয়ে সামরিক আক্রমণ পরিচালনা করেছে। সেইসঙ্গে এ সামরিক অভিযান চালিয়ে মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে অপসারণের কথাও জানা গেছে। বিষয়টি ক্ষুদ্র সামরিক শক্তির দেশগুলোর জন্য ভয়ংকর রকমের অস্বস্থিকর সংকেত!

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কিছু শব্দ আছে, যেগুলো শুনতে যতটা রোমাঞ্চকর, বাস্তবে ততটাই ভয়ংকর। ‘ডেকাপিটেশন স্ট্রাইক’ তেমনই এক শব্দ। শত্রু রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিচালিত আকস্মিক সামরিক আঘাত। এই কৌশলকে অনেক সময় দ্রুত সমাধানের ম্যাজিক ফর্মুলা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু ইতিহাস বলে, এমন ড্রামাটিক আঘাত রাষ্ট্রব্যবস্থার সমস্যার সমাধান তো করেই না বরং নতুন অস্থিরতা, দীর্ঘমেয়াদি সহিংসতা ও আন্তর্জাতিক আইনের চরম অবমূল্যায়ন ঘটায়। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরাতে প্রকাশ্য ও গোপন নানা ষড়যন্ত্র, এমনকি তাকে তুলে আনার মাস্তানিপূর্ণ পরিকল্পনা এই বাস্তবতাকেই নতুন করে সামনে এনেছে।

ডেকাপিটেশন স্ট্রাইক ধারণার মূল যুক্তি হলো, রাষ্ট্র বা সশস্ত্র গোষ্ঠীর মাথা কেটে ফেলতে পারলে পুরো কাঠামো ভেঙে পড়বে। কিন্তু আধুনিক রাষ্ট্র কেবল একজন ব্যক্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকে না। ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রেও তাই। মাদুরো সরকার বিতর্কিত, তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন, নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু এসব অভিযোগের জবাব কি হবে বিদেশি হস্তক্ষেপ, অপহরণ বা সরাসরি সামরিক আঘাত? কোনো দেশের নির্বাচিত বা ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টকে ‘তুলে আনার’ হুমকি কূটনৈতিক ভাষায় নয়, বরং গ্যাংস্টার স্টাইলে কথা বলার শামিল।

ভেনেজুয়েলা বহুদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িত। তেলসমৃদ্ধ এই দেশটির অর্থনীতি নিষেধাজ্ঞা, দুর্নীতি ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অচলাবস্থায় বিপর্যস্ত। এই দুরবস্থার সুযোগ নিয়ে রেজিম চেঞ্জ-এর নামে একাধিকবার প্রকাশ্য ও গোপন উদ্যোগ দেখা গেছে। কখনো বিরোধী নেতাকে ‘অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট’ ঘোষণা, কখনো সামরিক অভ্যুত্থান উসকে দেওয়ার চেষ্টা, আবার কখনো সরাসরি মাদুরোকে অপহরণ বা হত্যা পরিকল্পনার অভিযোগ। এসবের কেন্দ্রে রয়েছে শক্তির রাজনীতি, যেখানে আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব ও জনগণের মতামত গৌণ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন